📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে সাপের বিষ প্রতিষেধক তৈরির গবেষণা বন্ধে সরকারি তহবিলের অভাবে স্থবির: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার লক্ষ্য অর্জনে বাধা

বাংলাদেশে সাপের বিষ প্রতিষেধক তৈরির গবেষণা বন্ধে সরকারি তহবিলের অভাবে স্থবির: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার লক্ষ্য অর্জনে বাধা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের ভেনম রিসার্চ সেন্টার রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণার পর্যায় শেষ করে সরকারকে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় গবেষণা স্থবির। প্রতি বছর সাড়ে চার লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়, যার মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০৩০ সালের মধ্যে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, কিন্তু বাংলাদেশে এই উদ্যোগের অর্থায়ন বন্ধ রয়েছে।

বাংলাদেশে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণা কার্যক্রম সরকারি তহবিলের অভাবে বর্তমানে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনম রিসার্চ সেন্টার রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিবডি উৎপাদনের কাজ শেষ করে দুই বছর আগে সরকারকে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল, কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় গবেষণা সম্পূর্ণ থমকে গেছে। প্রতি বছর সাড়ে চার লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয় এবং এতে সাড়ে সাত হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) 'চরম উপেক্ষিত' স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণা শেষ করে বাংলাদেশের ভেনম রিসার্চ সেন্টার সরকারকে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় গবেষণা স্থবির
  • 📌 প্রতি বছর সাড়ে চার লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়, যার মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে 'চরম উপেক্ষিত' সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে
  • 📌 বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৫৪ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন, যার মধ্যে ১৮ থেকে ২৭ লক্ষ ক্ষেত্রে বিষক্রিয়া ঘটে — ডব্লিউএইচও সদস্য দেশগুলিকে স্থানীয় সাপের বিষের উপর ভিত্তি করে অ্যান্টিভেনম তৈরির আহ্বান জানিয়েছে
  • 📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনম রিসার্চ সেন্টার দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যা সাপের নমুনা ও বিষ সংগ্রহ এবং অ্যান্টিভেনম তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে
  • 📌 ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে সরকার কোনো অর্থ অনুমোদন না দিলে সেন্টারের গবেষণা কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণভাবে থমকে গেছে
  • 📌 গ্রামীণ এলাকায় সাপের কামড়ের ৯৫ শতাংশ ঘটনা ঘটে, এবং ৮৬ শতাংশ রোগী অপচিকিৎসার শিকার হন — মাত্র ৩ শতাংশ হাসপাতালে চিকিৎসা পান
  • 📌 বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যবহৃত অ্যান্টিভেনম দক্ষিণ ভারত থেকে আনা হয়, যা দেশের স্থানীয় সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করতে যথেষ্ট কার্যকর নয়
  • 📌 ডব্লিউএইচও ২০৩০ সালের মধ্যে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, কিন্তু বাংলাদেশে এই উদ্যোগের অর্থায়ন বন্ধ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সাপের কামড়কে একটি অন্যতম প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ৫৪ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন, যার মধ্যে ১৮ থেকে ২৭ লক্ষ ক্ষেত্রে বিষক্রিয়া ঘটে। ডব্লিউএইচও সদস্য দেশগুলিকে তাদের অঞ্চলের সাপের বিষের উপর ভিত্তি করে অ্যান্টিভেনম তৈরির আহ্বান জানিয়েছে। এই অ্যান্টিভেনম তৈরি করা জরুরি, কারণ এটি নির্দিষ্ট প্রজাতির সাপের বিষের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকর। বাংলাদেশের ভেনম রিসার্চ সেন্টার, যা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধীনে পরিচালিত, এই লক্ষ্যে কাজ করছে।

সেন্টারের মুখ্য গবেষক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক অনিরূদ্ধ ঘোষ বলেছেন, "ডব্লিউএইচও বলে দিল যে, সব দেশকেই চেষ্টা করতে হবে, তাদের অঞ্চলের সাপের ভেনম ব্যবহার করে যাতে অ্যান্টিভেনম তৈরি করা হয়। সেইক্ষেত্রে এই অ্যান্টিভেনমটা অনেক বেশি স্পেসিফিক হবে।" তবে, ২০২৪ সালের ৩০শে জুন থেকে সরকার কোনো অর্থ অনুমোদন না দিলে সেন্টারের গবেষণা কার্যক্রম থমকে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক মো. হালিমুর রশীদ জানিয়েছেন, সরকার অপারেশনাল প্ল্যানের অধীনে থাকা প্রকল্পগুলিকে রেভিনিউ খাত এবং ডিপিপির আওতায় নেয়ার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু ভেনম রিসার্চ সেন্টারের অর্থায়ন সম্পর্কে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

বাংলাদেশে বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পায়। জাতীয় সর্পদংশন সংক্রান্ত জরিপে দেখা গেছে, সাপের কামড়ের এক-চতুর্থাংশ ঘটনায় বিষধর সাপ জড়িত। রাসেলস ভাইপার, কালকেউটে, গোখরা, চন্দ্রবোড়া এবং ক্রেইট-কোবরা প্রজাতির সাপের দংশনে বর্ষাকালে মৃত্যুর ঘটনা প্রায়ই ঘটে। গ্রামীণ এলাকায় সাপের কামড়ের ৯৫ শতাংশ ঘটনা ঘটে, এবং ৮০ শতাংশ মানুষ সাপের কামড়ের স্থানে গিঁট দেয়। চিকিৎসকের বদলে ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভরতার কারণে প্রতি বছর ছয় হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, সাপে কাটা রোগীদের ৮৬ শতাংশ অপচিকিৎসার শিকার হন এবং মাত্র তিন শতাংশ মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান। বর্তমানে বাংলাদেশের হাসপাতালে দক্ষিণ ভারত থেকে আনা সাপের বিষের প্রতিষেধক দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা করা হয়, যা দেশের স্থানীয় সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করতে যথেষ্ট কার্যকর নয়।

"ডব্লিউএইচও বলে দিল যে, সব দেশকেই চেষ্টা করতে হবে, তাদের অঞ্চলের সাপের ভেনম ব্যবহার করে যাতে অ্যান্টিভেনম তৈরি করা হয়। সেইক্ষেত্রে এই অ্যান্টিভেনমটা অনেক বেশি স্পেসিফিক হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক অনিরূদ্ধ ঘোষ (ভেনম রিসার্চ সেন্টারের মুখ্য গবেষক), মো. হালিমুর রশীদ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪.৫ লাখ (সাপের কামড়ের শিকার), ৭ লাখ (মৃত্যু), ৫৪ লাখ (বিশ্বব্যাপী সাপের কামড়ের শিকার), ১৮-২৭ লাখ (বিষক্রিয়া), ৯৫% (গ্রামীণ এলাকায় সাপের কামড়), ৮৬% (অপচিকিৎসার শিকার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖