📌 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জায়েদা শারমিন বলেছেন, মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না দেওয়া হলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা কঠিন। তিনি বলেছেন, প্রচলিত সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন ছাড়া মেয়েদের ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক জায়েদা শারমিন বলেছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ছাড়া কোনো সমাধান নেই। তিনি জানান, সমাজে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না হলে মেয়েদের ক্ষমতায়ন অসম্ভব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জায়েদা শারমিন বলেছেন, মেয়েদের পড়াশোনা ও চাকরি নিয়ে প্রচলিত সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন ছাড়া বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কঠিন।
- 📌 তিনি মনে করেন, মেয়েদের শিক্ষিত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দিলে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে এবং নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
- 📌 অধ্যাপক জায়েদা শারমিনের মতে, শুধু সচেতনতামূলক কর্মসূচি যথেষ্ট নয়—সমাজে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন জরুরি।
- 📌 প্রতিবেদনকারীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি সিলেট জেলার বাসিন্দা।
📰 বিস্তারিত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক জায়েদা শারমিন বিডিনিউজ২৪কে বলেছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ছাড়া কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। তিনি বলেন, “সমাজে এখনো প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে মেয়েদের বেশি পড়াশোনার প্রয়োজন নেই। বিয়ে হয়ে গেলে তারা শ্বশুরবাড়িতে চলে যাবে, তাই তাদের পড়াশোনা বা চাকরি করার প্রয়োজন নেই। এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।”
অধ্যাপক জায়েদা শারমিনের মতে, মেয়েদের শিক্ষিত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দিলে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। নিজের টাকা খরচ করার পাশাপাশি নিজের মতামতও তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, “পড়াশোনা ও কাজের সঙ্গে মেয়েদের যুক্ত হওয়ার সুযোগ বাড়লে তাদের ক্ষমতায়ন সম্ভব। এতে তারা নিজের জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও অর্জন করতে পারে।”
তিনি আরও বলেছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু প্রচার বা সচেতনতামূলক কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। সমাজে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও প্রয়োজন। মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ছাড়া বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা কঠিন বলে মনে করেন তিনি।
"মেয়েদের শিক্ষিত করে তোলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হলে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। নিজের টাকা খরচ করার পাশাপাশি নিজের মতামতও তৈরি করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জায়েদা শারমিন (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর বয়সী প্রতিবেদনকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!