📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরে ২৪ বছর পর হত্যাকাণ্ড মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড: এক আসামিকে দোষী সাব্যস্ত, অন্যদুজনের খালাস

নাটোরে ২৪ বছর পর হত্যাকাণ্ড মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড: এক আসামিকে দোষী সাব্যস্ত, অন্যদুজনের খালাস

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের লালপুরে ২০০২ সালের হত্যাকাণ্ড মামলায় বিচার শেষে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মোজাফ্ফর হোসেন মন্টুকে ৩০২ ধারা দোষী সাব্যস্ত করা হয়, অন্যদুজো আসামিদের খালাস দেওয়া হয়

নাটোরের লালপুরে ২৪ বছর আগের একটি হত্যাকাণ্ড মামলায় বিচার শেষে আদালত এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) নাটোরের অতিরিক্ত দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন মোজাফ্ফর হোসেন মন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মোজাফ্ফর হোসেন মন্টুকেকে ৩০২ ধারা দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
  • 📌 মো. রেজাউল করিম ও মো. মুক্তার আলীকে খালাস দেওয়া হয়েছে, কারণ তাদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
  • 📌 মামলাটি ২০০২ সালে লালপুর থানায় দায়ের করা হয়েছিল এবং বিচার শেষে ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হয়।
  • 📌 মো. মুকুল হোসেন (নিহতের পরিবারের সদস্য)কে অর্থদণ্ডের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • 📌 আসামি মোজাফ্ফর হোসেন মন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

📰 বিস্তারিত

২০০২ সালের লালপুর হত্যাকাণ্ড মামলায় দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন রায় ঘোষণা করেন। মামলায় মোজাফ্ফর হোসেন মন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অর্থদণ্ডের টাকা আদায় হলে তা মামলার বাদী ও নিহতের পরিবারের সদস্য মো. মুকুল হোসেনকে দেওয়া হবে।

অপরদিকে, মো. রেজাউল করিম ও মো. মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ না থাকায় তাদের খালাস দেওয়া হয়। বিচারক তাদের জামিননামা বাতিলের নির্দেশও দেন। বিচার চলাকালীন মোজাফ্ফর হোসেন মন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী, আসামি মোজাফ্ফর হোসেন মন্টু জেলহাজতে যে সময় কাটিয়েছেন, তা সাজা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

"মামলায় মোজাফ্ফর হোসেন মন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের টাকা বাদী পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লালপুর, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. দেলোয়ার হোসেন (বিচারক), মোজাফ্ফর হোসেন মন্টু, মো. মুকুল হোসেন (বাদী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০২ (মামলা দায়েরের বছর), ২০২৬ (রায়ের বছর), ৩০২ (ধারা), ১ লাখ টাকা (অর্থদণ্ড), ৩ বছর (সশ্রম কারাদণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖