📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা: ছয়টি ওষুধের পাঁচটিরই প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়েছে বাংলাদেশে

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা: ছয়টি ওষুধের পাঁচটিরই প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়েছে বাংলাদেশে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ছয়টি মশানাশকের মধ্যে পাঁচটিরই কার্যকারিতা হারিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব ওষুধের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে এডিস মশা। ফলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

বাংলাদেশে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত এডিস মশানাশকের কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, তিন শ্রেণির ছয়টি মশানাশকের মধ্যে পাঁচটির বিরুদ্ধেই এডিস মশা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এমনকি কোনো কোনো ওষুধের ঘনত্ব ১০ গুণ বাড়ানোর পরও ৮৪ শতাংশ পর্যন্ত মশা বেঁচে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তিন শ্রেণির ছয়টি মশানাশকের মধ্যে পাঁচটির বিরুদ্ধেই এডিস মশা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে
  • 📌 পারমেথ্রিন প্রয়োগে ঢাকায় মাত্র ১০ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৭ শতাংশ মশা মারা গেছে
  • 📌 ম্যালাথিয়ন একমাত্র কার্যকর মশানাশক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে
  • 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারী মশার সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫০টি
  • 📌 গবেষণা পরিচালিত হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের ইনস্টিটিউট অব হেলথ সিকিউরিটির সহযোগিতায়

📰 বিস্তারিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের এডিস মশা মশানাশকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে। গবেষণায় তিন শ্রেণির ছয়টি মশানাশক পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে পাইরেথ্রয়েড শ্রেণির ডেল্টামেথ্রিন, আলফা-সাইপারমেথ্রিন, পারমেথ্রিন ও ইটোফেনপ্রক্স এবং কার্বামেট শ্রেণির বেন্ডিওকার্বের বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে এডিস মশা। শুধুমাত্র অর্গানোফসফেট শ্রেণির ম্যালাথিয়ন এখনো কার্যকর রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, পারমেথ্রিনের শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ ঘনত্ব প্রয়োগের ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকায় মাত্র ১০ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৭ শতাংশ মশা মারা গেছে। ঘনত্ব ১০ গুণ বাড়ানোর পরও ঢাকায় ৭৯ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৮৪ শতাংশ মশা বেঁচে ছিল। ইটোফেনপ্রক্সের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে ম্যালাথিয়ন প্রয়োগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই শহরেই ৯৮ শতাংশ মশা মারা গেছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মশানাশকের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে। তিনি জানান, নতুন ওষুধ প্রয়োগ করলেও তা অকার্যকর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

"মশানাশকের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এখন শুধু রাসায়নিক নয়, জৈব প্রযুক্তির প্রয়োজন। বেশি দরকার মশা, রোগী ও ওষুধে মশার প্রতিরোধ ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা ও চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক কবিরুল বাশার, তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৪৫০টি মশার নমুনা, ৮৪ শতাংশ প্রতিরোধ ক্ষমতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖