📌 ডেঙ্গু ও হামে একই সঙ্গে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ছয় মাসের শিশু ফারিস্তা নূর। শিশুটির চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকেরা তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখছেন। এ বছর দেশে হাম ও ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে
রাজধানীর শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে (শিশু হাসপাতাল) ছয় মাস বয়সী ফারিস্তা নূরের চিকিৎসা চলছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত শিশুটির অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকেরা। শিশুটির শরীরে র্যাশ দেখা দেওয়ায় মা নীলা বেগমের দুশ্চিন্তা বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ছয় মাসের ফারিস্তা নূর
- 📌 একই সঙ্গে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত শিশুটির অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখছেন চিকিৎসকেরা
- 📌 শিশুটির শরীরে র্যাশ দেখা দিয়েছে ও জ্বর রয়েছে
- 📌 শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম জানান, শিশুটির জন্য আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে
- 📌 এ বছর জানুয়ারি থেকে ১৯ হাজার ৩৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু ৬১ জন
- 📌 গতকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ জন, মৃত্যু ৯৮ জন
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার শিশু হাসপাতালে ভর্তি হন ফারিস্তা নূর। তার শরীরে র্যাশ দেখা দেওয়ায় মা নীলা বেগমের দুশ্চিন্তা বেড়েছে। নীলা বেগম জানান, গত মাসে শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছিল। কয়েক দিন আগে জ্বর দেখা দিলে স্থানীয় পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এরপর শরীরে র্যাশ দেখা দেয়।
শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে শিশুটির জন্য আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে হামের প্রাদুর্ভাব ধীরে ধীরে কমলেও শিশুটি দুর্ভাগ্যক্রমে দুটি রোগেই আক্রান্ত। তাকে বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে।’
নীলা বেগম বলেন, ‘বাড়ির আশপাশে কারও হাম হয়েছে বলে আমার জানা নেই। কয়েক মাস আগে শিশুটির একজন চাচা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।’ তিনি জানান, দুই ছেলের সব টিকা দেওয়া হলেও ফারিস্তার টিকা দেওয়া হয়নি।’
‘শিশুটির শরীরে যেন ফ্লুইডের ঘাটতি না দেখা দেয় এবং শ্বাসকষ্ট যেন না হয়। দুটি রোগকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।’ — বিশিষ্ট শিশুবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরেবাংলা নগর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারিস্তা নূর, অধ্যাপক মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম, নীলা বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস, ১৯ হাজার ৩৪৫ জন, ৬১ জন, ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ জন, ৯৮ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!