📌 মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের তদন্ত প্রতিবেদনে পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতি ও তত্ত্বাবধানের অভাব পাওয়া গেছে। ৩৬ জন নিহত — ২৮ শিশু। কমিশন প্রধান এ কে এম জাফর উল্লা খান। ৩+ মাস তদন্ত। বিবিসি বাংলা সম্পূর্ণ প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে।
গত বছরের ২১শে জুলাই ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতি ছিল বলে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পাইলটের গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিং-এর যথাযথ ও পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব ছিল। মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের — যার মধ্যে ২৮ জন শিশু।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তদন্ত প্রতিবেদন: পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতি ছিল
- 📌 তত্ত্বাবধানের অভাব: গ্রাউন্ড সুপারভাইজার/অফিসার কমান্ডিং-এর পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধান ছিল না
- 📌 ঘটনার তারিখ: ২১ জুলাই — ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে
- 📌 প্রাণহানি: ৩৬ জন (২৮ শিশু + পাইলট + শিক্ষক-কর্মচারী + অভিভাবক)
- 📌 তদন্ত কমিশন: সাবেক সচিব এ কে এম জাফর উল্লা খান প্রধানে — ৯ সদস্য
- 📌 তদন্তের মেয়াদ: ৩ মাসেরও বেশি
- 📌 বিবিসি বাংলা: সম্পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে — উড্ডয়নের আগে ও ৭ মিনিটের উড্ডয়নকালের বর্ণনা
📰 বিস্তারিত
ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনার পরপরই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক সচিব এ কে এম জাফর উল্লা খানকে প্রধান করে নয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ওই তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয় কমিশন।
সেই তদন্ত কমিশনের পুরো প্রতিবেদনটি বিবিসি বাংলার হাতে এসেছে — যেখানে বিধ্বস্ত বিমানটি উড্ডয়নের আগে এবং সাত মিনিটের উড্ডয়নকালে কী হয়েছিল তার বর্ণনাও উঠে এসেছে। বিমান বাহিনীর এই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ওই স্কুলের শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যেই মৃত্যু হয় ২৮ শিশুর। এর সঙ্গে যুদ্ধবিমানটির পাইলট, স্কুলটির শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবকের মৃত্যু যোগ করলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬ জনে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেম
- 📅 ঘটনার তারিখ: ২১ জুলাই (গত বছর)
- 📍 স্থান: মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ, উত্তরা, ঢাকা
- 🔢 মৃত্যু: ৩৬ জন (২৮ শিশু + পাইলট + শিক্ষক-কর্মচারী + অভিভাবক)
- 📋 তদন্ত কমিশন: এ কে এম জাফর উল্লা খান (প্রধান) — ৯ সদস্য
- ⏰ তদন্তের মেয়াদ: ৩+ মাস
- 📋 উৎস: বিবিসি বাংলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!