📌 ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত ও বিএনপি উভয় পক্ষই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাবি করেছেন, নির্বাচন শেষে ‘ইএসডিও’ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি পাল্টা অভিযোগ করেছে জামায়াত-ঘনিষ্ঠদের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনের মাত্র এক দিন বাকি থাকলেও জামায়াত ও বিএনপির প্রতিনিধিরা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের কাছে আলাদাভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হওয়ার পরও ‘ইএসডিও’ নামের একটি স্থানীয় এনজিওর কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাবি করেছেন, নির্বাচন শেষে ‘ইএসডিও’ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে এবং ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
- 📌 সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় একটি নির্দিষ্ট দলের অনুসারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতের প্রার্থী।
- 📌 আখানগরের বলিতাপাড়ায় জামায়াতের নির্বাচনী উঠানে বিএনপি সমর্থকদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও কোনো বিচার পাননি দাবি করেছেন দেলাওয়ার হোসেন।
- 📌 বিএনপির প্রতিনিধি মো. আতাউর রহমান পাল্টা অভিযোগ করেছেন, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় জামায়াত-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছেন এবং নির্বাচন সুষ্ঠু নিশ্চিত করতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদকর্মীদের বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হওয়ার পর ‘ইএসডিও’ নামের একটি স্থানীয় এনজিওর কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সেখানে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় একটি নির্দিষ্ট দলের অনুসারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল হাকিম ও জেলা সহকারী কফিল উদ্দিনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আখানগরের বলিতাপাড়ায় তাঁদের নির্বাচনী উঠানে বিএনপি সমর্থকদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও কোনো বিচার পাননি। তিনি দাবি করেন, ‘হামলা ও ভাঙচুর হলো আমাদের ওপর, আমাদের লোক আহত হলো, অথচ কোনো বিচার না পেয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’।
বিএনপির প্রতিনিধি ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. আতাউর রহমান জামায়াতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁরাও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় জামায়াত-ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে প্রতিপক্ষ নানা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, ‘উভয় পক্ষের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যা যা করার, তার সবই করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবে’।
"বিএনপি একটি বড় সংগঠন, মাঠপর্যায়ে অসংখ্য সমর্থক রয়েছে। বড় নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়। তবে আমাদের প্রার্থী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিপক্ষ কোনো উসকানি দিলেও যেন ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলে নির্বাচন সুষ্ঠু রাখা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও-১ আসন, ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেলাওয়ার হোসেন (জামায়াত প্রার্থী), মো. আতাউর রহমান (বিএনপি প্রতিনিধি), কামরুল ইসলাম (রিটার্নিং কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (আসন), ২৭ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!