📌 বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র দুর্বল হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের সুরক্ষাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ রয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিকেরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দায়িত্ব পালন করেছেন
- 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ তার
- 📌 গণমাধ্যমের ওপর রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব বন্ধের দাবি জানান তিনি
- 📌 আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের চারটি লংমার্চ কর্মসূচি শুরু হবে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ রয়েছে, যা সরকারের উচিত অবিলম্বে কার্যকর করা। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সাংবাদিকেরা নানা উপায়ে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের চেষ্টা করেছেন। তিনি মফস্সলের সাংবাদিক, মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক ও নাগরিক সাংবাদিকদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের হতাশা স্বীকার করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অনেকে অন্তর্বর্তী সরকারের কথা বলেছেন। সেই সময়ের হতাশা আমাদেরও আছে। অনেক কিছু করা সম্ভব ছিল, কিন্তু অনেক কিছু আমাদের করতে দেওয়া হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সাত মাস দায়িত্বে ছিলাম। এই সাত মাস কোনো স্বাভাবিক সময় ছিল না। তখন পুরো দেশকে স্থিতিশীল করতে আমাদের সব শক্তি ও সামর্থ্য ব্যয় করতে হয়েছে।’
‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ ছিল। কিন্তু সরকার গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। ফলে এখন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের দাবিগুলো আমরা বলতেও প্রায় ভুলে গিয়েছি।’
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা একটা রেসপন্সিবল জার্নালিজম চাই। একই সঙ্গে রেসপন্সিবল পলিটিক্স চাই।’ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন সহিংসতারও সমালোচনা করেন তিনি। কোনো গণমাধ্যমের নীতিমালা বা রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে মতভিন্নতা থাকলেও সহিংসতার মাধ্যমে তার মোকাবিলা করা সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুরক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আর পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে না; সবাইকে মিলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম (বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ, এনসিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ মাস (অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল), ৫ সেপ্টেম্বর (লংমার্চ শুরু), ১৪ নভেম্বর (মহাসমাবেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!