📌 জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের রংপুর লং মার্চে নতুন ৮ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার দাবি মেনে না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। সরকারি দল বিএনপি দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে জোর দিচ্ছে
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের দ্বিতীয় লং মার্চের রংপুর উদ্বোধনী সমাবেশে নতুন ৮ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। শফিকুর রহমান গাজীপুরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বলেছেন, সরকার দাবি মেনে না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। এর আগে ঢাকায় উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি জানিয়েছেন, বিরোধী দলের আট দফা দাবি এক দফায় পরিণত হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রংপুর লং মার্চে নতুন ৮ দফা দাবি**: জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নতুন দাবিগুলো হলো—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
- 📌 **শফিকুর রহমানের সতর্কবার্তা**: তিনি বলেছেন, “আজকের আট দফা নয় দফা, দশ দফা হতে পারে। সরকার দাবি মেনে না নিলে কোনো কিছুতেই কাজ হবে না। আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি।”
- 📌 **গণঅভ্যুত্থানের আহ্বান**: এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “গণতন্ত্র ও মানবাধিকার তারেক রহমানের হাতে নিরাপদ নয়। সরকারের কালো আইন ও প্রতিষ্ঠান নাগরিক অধিকার হরণ করছে। এভাবে চলতে থাকলে তারেক রহমানকে পদত্যাগ করতে হবে।”
- 📌 **বিরোধী জোটের কর্মসূচি**: ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেটে লং মার্চের পর নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 **গভর্নমেন্টের প্রতিক্রিয়া**: বিএনপি সদস্য ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “বিরোধী দল তাদের রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে পারে। সরকার জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যথাযথ কাজ করছে।”
📰 বিস্তারিত
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের দ্বিতীয় লং মার্চের রংপুর উদ্বোধনী সমাবেশে শফিকুর রহমান গাজীপুরে বলেছেন, সরকার দাবি মেনে না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, আট দফা দাবি এখনও শেষ নয়—এটি দশ দফায়ও বাড়তে পারে। তিনি আরও বলেছেন, “আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। সরকার দাবি মেনে না নিলে কোনো কিছুতেই কাজ হবে না।”
সকালে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “গণতন্ত্র ও মানবাধিকার তারেক রহমানের হাতে নিরাপদ নয়। সরকারের কালো আইন ও প্রতিষ্ঠান নাগরিক অধিকার হরণ করছে। এভাবে চলতে থাকলে তারেক রহমানকে পদত্যাগ করতে হবে কীভাবে তিনি পদত্যাগ করবেন?”
লং মার্চের পথে পথসভা ও সমাবেশে বিরোধী দলের নেতারা সরকারের তীব্র সমালোচনা করছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকার অতীতের ফ্যাসিবাদী কাঠামোর দিকে যাচ্ছে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক নিয়োগ দিচ্ছে। সাংবাদিক রমিজ হোসাইন জানিয়েছেন, হাজার হাজার গাড়ির বহরে বিরোধী দলের নেতারা লং মার্চে অংশ নিচ্ছেন। পথে সমর্থকরা তাদের নেতাদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন।
"তারা তাদের রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছে ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতেই পারে। সরকারি দল হিসেব আমরা মনে করি সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যথাযথ কাজই করছে,
গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের সাথে হওয়া গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-সার সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রথম লং মার্চের আয়োজন করেছিল বিরোধী জোট। কিন্তু রংপুর লং মার্চে নতুন দাবি যোগ করা হয়েছে—দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, গাজীপুর, রংপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান, নাহিদ ইসলাম, ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রমিজ হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয় জোট, ৮ দফা দাবি, ১০ অক্টোবর (খুলনা), ২৪ অক্টোবর (সিলেট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!