📌 ইসলামী বক্তা জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ তার অসুস্থতার সময় ছেলের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন। এরপর তাশরীফ ফেসবুকে লিখেন, 'মিডিয়া পাওয়ারে বাবাকে কিনে ফেলা যেতে পারে'। বাবা আরও দাবি করেন, ছেলের পরামর্শে ইমামতি ছেড়ে দিলেও মাসিক ১০ হাজার টাকা পাননি
ইসলামী ধর্মীয় বক্তা জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহের অসুস্থতার সময় ছেলের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে তাশরীফ নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিডিয়ার ক্ষমতার উপর একটি সতর্কবার্তা দেন, যেখানে তিনি লিখেছেন, 'মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ ফেসবুকে লিখেন: 'মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে' — বাবার অভিযোগের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার সৃষ্টি
- 📌 মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ দাবি করেন, অসুস্থ অবস্থায় ছেলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েও পাননি এবং তার খোঁজখবরও রাখেন না
- 📌 ১০ হাজার টাকা মাসিক বেতন নিয়ে ইমামতি ছেড়ে দিলেও বাবা কোনো টাকা পাননি
- 📌 মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ছেলের পরামর্শে ইমামতি ছেড়ে দিলেও বিনিময়ে দেওয়া ১০ হাজার টাকা পাননি
- 📌 ২৬ অক্টোবর রাতে প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের ভিডিও সাক্ষাৎকারে বাবা অসুস্থতার সময় ছেলের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন
- 📌 ২৭ অক্টোবর রাতে তাশরীফের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিডিয়ার ক্ষমতার উপর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহের অভিযোগ অনুযায়ী, তার অসুস্থতার সময় ছেলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েও পাননি। তিনি বলেন, 'আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, তারে কইছি, আমারে কিছু টাকা দে। পরে কিছু টাকা না দিয়ে কয়, আমি জমি কিনমু। আমি টাকা দিতে পারতাম না, কষ্ট করে তোরে লেখাপড়া করলাম, লালন-পালন করলাম, তুই টাকা দিতে পারতি না?'
মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ আরও দাবি করেন, ছেলের পরামর্শে তিনি ইমামতি চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পরে কোনো টাকা পাননি। তিনি বলেন, 'পড়াইয়া তারে আজকে মাওলানা বানাইছি, হাফেজ বানাইছি। সে অস্বীকার যায়, আমি বলে তারে পড়াইছি না।'
মাওলানা হেদায়েতুল্লাহের কথায়, ছেলের অসুস্থতার সময় তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মির্জাপুর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য অনেক কষ্ট কাটিয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'পরে মানুষের কাছে ভিক্ষা কইরা কইরা, টাকা চাইয়া চাইয়া; আমি তো টাকা অল্প টাকা পাই, ইমামতি করি, তো টাকাটা চলে না। পরে মাইনষের কাছ থেকে চাইয়া চাইয়া, অনেক কষ্ট কইরা, তারে অনেক দিন পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর হাসপাতালে আমি চিকিৎসা কইরা অনেক কষ্ট কইরা তারে আল্লাহ মুক্তি করছে, ভালো হইছে।'
এই ঘটনার পর জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিডিয়ার ক্ষমতার উপর একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তিনি লিখেন, 'মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে'। এই স্ট্যাটাসটি ২৭ অক্টোবর রাতে প্রকাশিত হয়। এর আগে, ২৬ অক্টোবর রাতে একটি জাতীয় দৈনিকের ভিডিও সাক্ষাৎকারে মাওলানা হেদায়েতুল্লাহের অভিযোগ প্রকাশ পায়।
"আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, তারে কইছি, আমারে কিছু টাকা দে। পরে কিছু টাকা না দিয়ে কয়, আমি জমি কিনমু। আমি টাকা দিতে পারতাম না, কষ্ট করে তোরে লেখাপড়া করলাম, লালন-পালন করলাম, তুই টাকা দিতে পারতি না?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ, মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (মাসিক বেতন), ২৬ অক্টোবর, ২৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!