📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের শ্রীবরদীতে বসতঘরের বারান্দায় দাফন: অসহায় পরিবারের দুঃখজনক কাহিনী

শেরপুরের শ্রীবরদীতে বসতঘরের বারান্দায় দাফন: অসহায় পরিবারের দুঃখজনক কাহিনী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে নিজস্ব জমি বা সামাজিক কবরস্থান না থাকায় ৬০ বছর বয়সী আবদুল করিমকে বসতঘরের বারান্দায় দাফন করা হয়। আজ মঙ্গলবার তাকে পাশের গণকবরস্থানে স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করা হয়েছে

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে নিজস্ব জমি বা সামাজিক কবরস্থান না থাকায় ৬০ বছর বয়সী আবদুল করিমকে বসতঘরের বারান্দায় দাফন করা হয়েছে। গত সোমবার অসুস্থতার কারণে মৃত্যুবরণকারী এই বৃদ্ধকে আজ মঙ্গলবার পাশের গণকবরস্থানে স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই দুঃখজনক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬০ বছর বয়সী আবদুল করিমকে শালমারা গ্রামের বসতঘরের বারান্দায় দাফন করা হয়েছে নিজস্ব জমি ও সামাজিক কবরস্থান না থাকায়।
  • 📌 আবদুল করিমের পরিবার বাড়ির আঙিনা ছাড়া আর কোনো জমিজমা না থাকায় মরদেহকে বাড়ির বারান্দায় দাফন করতে বাধ্য হয়।
  • 📌 তাতিহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রউফ আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
  • 📌 শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন খবর জানার পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
  • 📌 গ্রামের গণকবরস্থান করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজ করছেন, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি।

📰 বিস্তারিত

শালমারা গ্রামের বাসিন্দা ও কৃষক আবদুল করিমের মৃত্যু ঘটে গত সোমবার। তাঁর পরিবারের বসতভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অসুস্থতার কারণে মৃত্যুবরণকারী আবদুল করিমের মেয়ে রিক্তা পারভীন বলেছেন, ‘আমাদের বাড়িভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নেই। পাড়ায় কোনো সামাজিক কবরস্থানও নেই। তাই বাড়ির ঘরেই বাবাকে মাটি দিতে হয়েছে।’

গ্রামটিতে একটি গণকবরস্থান করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে চলছে। শালমারা গ্রামের মাসুদ মিয়া জানান, ‘এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের কাছে দাবি জানানো হলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। ফলে অসহায় ও গরিব মানুষদের দাফন নিয়ে বিপর্যয় চলছে।’

আজ মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে আবদুল করিমকে স্থানান্তর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ জানান, ‘আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে তাঁকে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।’

শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, ‘খবরটি জানার পরই ইউএনওকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। পাশের কবরস্থানে তাঁকে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।’

"আমগর বাড়িভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নাই। আমগর পাড়ায় কোনো গোরস্তানও নাই। তাই আর কোনো উপায় না থাকার ঘরেই বাবারে মাটি দিতে হইছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শালমারা গ্রাম, শ্রীবরদী উপজেলা, শেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল করিম (৬০), রিক্তা পারভীন, মাসুদ মিয়া, আবদুর রউফ, মনীষা আহমেদ, ফরিদা ইয়াসমিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖