📌 কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী জনসভার জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুমতি দিলেও জামায়াত জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের দাবি করছে। প্রশাসনের আটটি শর্তের মুখে দলের নেতা উদ্বিগ্ন এবং কর্মসূচির প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে দাবি করছেন
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী জনসভার জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু জামায়াতে ইসলামী দলটি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জিলা স্কুল মাঠেই সমাবেশের দাবি করছে। প্রশাসনের আটটি শর্তের মুখে দলের নেতা-কর্মীরা উদ্বিগ্ন এবং কর্মসূচির প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১-দলীয় লংমার্চের সমাপনী জনসভার জন্য কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু জামায়াত জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের দাবি করছে।
- 📌 ১৩ অক্টোবর স্টেডিয়ামের মাঠ ব্যবহারের আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু প্রশাসন বিকল্প ভেন্যু ঠিক করতে বললে জামায়াত জিলা স্কুল মাঠ বেছে নিয়েছে।
- 📌 ১৮ অক্টোবর জিলা স্কুলের সভাপতি মাঠ বরাদ্দের আবেদন করেন, কিন্তু প্রশাসন আবার স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ তুলে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করেছে বলে জামায়াত অভিযোগ করছে।
- 📌 ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জামায়াতের দাবি, কিন্তু প্রশাসনের অনুমতি শর্তের কারণে দলের নেতা উদ্বিগ্ন।
- 📌 আটটি শর্তের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ না করা, ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত না করা, উসকানিমূলক বক্তব্য না দেওয়া এবং স্টেডিয়াম ছাড়া অন্য কোনো স্থান ব্যবহার না করা।
- 📌 রাত সোয়া ১১টায় জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর জিলা স্কুল মাঠেই সমাবেশ হবে।
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী জনসভার জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুমতি দিয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এনামুল হক বলেছেন, তারা পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জিলা স্কুল মাঠেই সমাবেশ করবেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার জাকিউল আলমের স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্র দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে আটটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ না করা, ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত না করা এবং উসকানিমূলক বক্তব্য না দেওয়া।
জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক জানিয়েছেন, ১৩ অক্টোবর স্টেডিয়ামের মাঠ ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন বিকল্প ভেন্যু ঠিক করতে বললে জামায়াত জিলা স্কুল মাঠ বেছে নিয়েছে। ১৮ অক্টোবর জিলা স্কুলের সভাপতি মাঠ বরাদ্দের আবেদন করেন। জামায়াতের অভিযোগ, সমাবেশের মাত্র পাঁচ দিন আগে প্রশাসন আবার স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ তুলে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করছেন। দলটি বলছে, কর্মসূচির এত কাছাকাছি সময়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
জামায়াতের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তারা সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও হ্যান্ডবিলসহ প্রায় সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। জামায়াতের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে বলা হয়েছে। কোনো ধরনের উসকানিতে সাড়া দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
"আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। ইনশা আল্লাহ, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠেই ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া জেলা, শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী কমিশনার জাকিউল আলম, জামায়াত সেক্রেটারি এনামুল হক, জিলা স্কুলের সভাপতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১-দলীয় লংমার্চ, ১৩ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ৩১ অক্টোবর, ১১ টা রাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!