📌 জামায়াত-এনসিপি জোটের লংমার্চে সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ‘এক দফা’ দাবি জানানো হয়েছে। তারা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকার পতনের ‘এক দফা’ আন্দোলন শুরু করবেন। শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে’
জামায়াত-এনসিপি জোটের লংমার্চ কর্মসূচিতে সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ‘এক দফা’ দাবি জানিয়ে সরকার পতনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। জোটের নেতারা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ‘বাধ্য’ করে ‘এক দফা’ আন্দোলন শুরু করার অঙ্গীকার করেছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকার যদি ছয় দফা দাবি মেনে না নেয়, তাহলে তা ‘এক দফা’ রূপান্তরিত হবে এবং সরকারের পদত্যাগের দাবি করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত-এনসিপি জোটের লংমার্চে সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ‘এক দফা’ দাবি জানানো হয়েছে।
- 📌 শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আদায় করে ছাড়বো’।
- 📌 নাহিদ ইসলাম জানান, সরকার যদি লংমার্চে বাধা দেয়, তাহলে ছয় দফা ‘এক দফা’ রূপান্তরিত হবে।
- 📌 জোটের লংমার্চের পথে পথে জনসভা ও পথসভায় জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে লংমার্চ শেষ হবে।
📰 বিস্তারিত
জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতারা তাদের প্রথম লংমার্চ কর্মসূচিতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন জনসভা ও পথসভায় সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ‘এক দফা’ দাবি জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকার যদি দাবিগুলো মেনে না নেয়, তাহলে তা ‘এক দফা’ রূপান্তরিত হবে এবং সরকারের পদত্যাগের দাবি করা হবে। শফিকুর রহমান চট্টগ্রামের লালদিঘীর সমাবেশে বলেছেন, “এ আন্দোলন জনগণের দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন। জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আদায় করে ছাড়বো। প্রস্তুত থাকুন। বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে। জনগণের যখন প্রয়োজন হবে তখনই ডাক আসবে। এ লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে”।
জোটের অন্যতম নেতা নাহিদ ইসলাম ঢাকার এক সমাবেশে বলেছেন, “গভর্নমেন্ট যদি লংমার্চে বাধা দেয়, তাহলে ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।” জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কুমিল্লায় বলেছেন, “আমরা সরকারকে বলবো—আপনারা দাবিগুলো মেনে নেন। যদি দাবি না মানেন, ছয় দফা একদফা রূপান্তর হবে, সেটা হবে সরকারের পদত্যাগ।”
জোটের লংমার্চের পথে পথে বিভিন্ন জনসভা ও পথসভায় জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। দাবিগুলো হলো—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। শফিকুর রহমান লালদিঘির সমাবেশে আরও বলেছেন, “সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। আমরা ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। এখন যারা নতুন করে ফ্যাসিবাদ শুরু করবেন, তাদের ১৫ বছর আর অপেক্ষা করতে হবে না। আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব”।
জোটের লংমার্চের গাড়ির বহর ঢাকা থেকে রওনা দেওয়ার পর পথে পথে বিভিন্ন জায়গায় জোটভুক্ত দলগুলো সমর্থকরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে তাদের নেতাদের স্বাগত জানিয়েছেন। লংমার্চের পথে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভায় জোটের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা যোগ দিয়েছেন।
"জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আদায় করে ছাড়বো। প্রস্তুত থাকুন। বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে। জনগণের যখন প্রয়োজন হবে তখনই ডাক আসবে। এ লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, খুলনা, সিলেট, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান, নাহিদ ইসলাম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ১২ সদস্যের কমিটি, ৬ দফা দাবি, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১০ অক্টোবর, ২৪ অক্টোবর, ১৪ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!