📌 জামায়াত মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। ভোট শুরুর আগেই এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া, জাল ভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ। সিইসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে "গুরুতর অনিয়মের" অভিযোগ তুলেছে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। দলটির মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন — সকাল থেকেই একাধিক কেন্দ্র থেকে অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে "গুরুতর অনিয়মের" অভিযোগ জামায়াতের
- 📌 অভিযোগ: ভোট শুরুর আগেই প্রেসাইডিং অফিসাররা এজেন্টদের ফলাফল শীটে স্বাক্ষর নিয়েছেন
- 📌 অভিযোগ: একাধিক কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া হয়েছে, দলীয় এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযোগ: প্রতিপক্ষের সমর্থকরা কেন্দ্রে ঢুকে আক্রমণ চালিয়েছে, বিশেষ করে নারী ভোটারদের বাধা দিয়েছে
- 📌 দাবি: অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রে ভোট স্থগিত + নতুন নির্বাচন + দায়ী কর্মকর্তাদের বিচার
- 📌 জামায়াত মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকার মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন
📰 বিস্তারিত
আজ দুপুরে ঢাকার মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন — সকাল থেকেই একাধিক ভোটকেন্দ্র থেকে অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। তিনি অভিযোগ করেন — নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রেসাইডিং অফিসাররা ভোট শুরুর আগেই এজেন্টদের ফলাফল শীটে স্বাক্ষর নিয়েছেন।
পরওয়ার বলেন — "এজেন্টদের ফলাফল শীটে স্বাক্ষর করার কথা ভোট ও গণনা শেষ হওয়ার পর। কিন্তু স্বাক্ষর সকালেই নেওয়া হয়েছে, যা একটি গুরুতর অনিয়ম।" তিনি আরও অভিযোগ করেন — একাধিক কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে, দলীয় এজেন্টদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় প্রতিপক্ষের সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে ঢুকে কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে এবং ভোটারদের — বিশেষ করে নারীদের — ভোট দিতে বাধা দিয়েছে।
"এভাবে ভোট চলতে থাকলে তা ভোটারদের প্রকৃত ইচ্ছা প্রতিফলিত করবে না, এবং জনগণ এমন ফলাফল গ্রহণ করবে না। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করব।" — মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াত মহাসচিব
পরওয়ার দাবি করেন — যেসব কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে সেখানে ভোট স্থগিত করা হোক এবং নতুন করে নির্বাচন হোক। তিনি দায়ী প্রেসাইডিং ও রিটার্নিং অফিসারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
উল্লেখ্য — ১৩ই ফেব্রুয়ারি ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুই আসনে জয়ী হওয়ার পর বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য করেন, যার ফলে সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর পর নির্বাচন স্থগিত ছিল, এখন সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামায়াত কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মগবাজার, ঢাকা
- 👥 জড়িত: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত মহাসচিব), সিইসি
- 🗳️ নির্বাচন: বগুড়া-৬ উপনির্বাচন, শেরপুর-৩ উপনির্বাচন
- 📋 প্রেক্ষাপট: ১৩তম সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি; তারেক রহমান বগুড়া-৬ শূন্য করেন; শেরপুর-৩ প্রার্থী মৃত্যুর পর স্থগিত ছিল
- 📋 উৎস: দ্য ডেইলি স্টার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!