📌 প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুম্মন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারকে বিব্রত করার জন্য গুজব ছড়াচ্ছেন কিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি ও সাংবাদিক। তিনি উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে কিছু সাংবাদিকও পালিয়েছেন
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুম্মন। তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু পত্রিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুজব ছড়ানোর অভিযোগ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারকে বিব্রত করার জন্য গুজব ছড়াচ্ছেন কিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি ও সাংবাদিক।
- 📌 মন্দির সংস্কারের ভিডিও: একটি জীর্ণ মন্দিরের সংস্কারের জন্য ভাঙা হচ্ছে বলে ভিডিও প্রচার করা হলেও, সরকার মন্দির সংস্কারের জন্য সহায়তা করছে বলে জানানো হয়েছে।
- 📌 সাংবাদিকতা পেশায় প্রথম পালিয়ে যাওয়া: শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে কিছু সাংবাদিকও পালিয়েছেন, যা আতিকুর রহমান রুম্মন প্রথমবারের মতো দেখেছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর গবেষণামূলক কাজ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর গবেষণা করেন এবং সব খবর তার নখদর্পণে থাকে বলে উল্লেখ করেছেন আতিকুর রহমান।
- 📌 গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান: প্রধানমন্ত্রী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে সচেষ্ট এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন।
📰 বিস্তারিত
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান রুম্মন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ও সাংবাদিকরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছেন।
আতিকুর রহমান রুম্মন একটি উদাহরণ দিয়েছেন, যেখানে একটি জীর্ণ মন্দিরের সংস্কারের জন্য ভাঙা হচ্ছে বলে ভিডিও প্রচার করা হলেও, সরকার মন্দির সংস্কারের জন্য সহায়তা করছে। তিনি বলেছেন, মন্দিরের কর্মীরাই ভিডিওতে বলেছেন যে, সংস্কারের জন্য মন্দির ভাঙা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে কিছু সাংবাদিকও পালিয়েছেন। তিনি ৩৩ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, কিন্তু সাংবাদিকতা পেশায় প্রথমবারের মতো পালিয়ে যাওয়া সাংবাদিকদের দেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের চাটুকারিতা দিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে।
"আজ সকালে ফেসবুকে দেখলাম, আমাদের দেশের একটি জীর্ণশীর্ণ মন্দির সংস্কারের জন্য ভাঙা হচ্ছে। কিন্তু পাশের দেশের কিছু লোক ভিডিও বানিয়ে বিকৃতভাবে প্রচার করছে যে, সরকার মন্দির ভেঙে দিচ্ছে।"
আতিকুর রহমান রুম্মন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই একটি স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিকের প্রকাশক ছিলেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দুদিন আগেও তিনি ওই পত্রিকার প্রকাশকের দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর গবেষণামূলক কাজের প্রশংসা করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর গবেষণা করেন এবং সব খবর তার নখদর্পণে থাকে। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের কোন থানার কোন এলাকায় কী ঘটছে, কোথায় কৃষি ভালো হয়, কোথায় পরিত্যক্ত পুকুর আছে বা কোথায় মাছ চাষ ভালো হয়, সবই তিনি জানেন।
দেশবাসীদের প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে আতিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সরকার হাজার হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ আমাদের মাথার ওপর চাপিয়ে গেছে। তিনি বলেছেন, সরকার গঠনের মাত্র ছয়-সাত মাস পার হতে না হতেই আমরা সরকারকে চেপে ধরেছি। তিনি দেশবাসীদের আরও কিছুটা ধৈর্য ধরে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় সচেষ্ট। তিনি বলেছেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার পর তিনি শুধু ঘোষণা দেননি, বরং সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল বসিয়ে তদারকি করছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর তেজগাঁও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিকুর রহমান রুম্মন (প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ বছর (সাংবাদিকতা), ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সংবাদ সম্মেলনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!