📌 গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ভোট গ্রহণের মাত্র ৩০ মিনিট আগে স্থগিত করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়। সাংবাদিক ও প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নির্ধারিত সময়ের মাত্র ৩০ মিনিট আগে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর আবেদন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ভোট গ্রহণের ৩০ মিনিট আগে স্থগিত করা হয়
- 📌 নির্বাচন কমিশনের প্রধান মাসুদ রানা, কমিশনার শফিকুল ইসলাম জিতু ও বায়েজীদ হোসেনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 বুধবার রাতে তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর আহ্বায়ক এমরান খানের স্বাক্ষরিত আবেদনে অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে স্থগিতের অনুরোধ করা হয়
- 📌 চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সদস্য দেলোয়ার হোসেনের সাথে অন্য তিন সদস্যের স্বাক্ষর ছিল না
- 📌 সাংবাদিক ও প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়
📰 বিস্তারিত
গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ভোট গ্রহণের মাত্র ৩০ মিনিট আগে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশনের প্রধান মাসুদ রানা, কমিশনার শফিকুল ইসলাম জিতু ও বায়েজীদ হোসেনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত নির্বাচন স্থগিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে পরবর্তী সময়ে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর আহ্বায়ক এমরান খান ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন। তবে মণ্ডলীর অন্য তিন সদস্য ফারদিন ফেরদৌস শাহ, শাহ সামসুল হক রিপন ও মাজহারুল ইসলাম মাসুমের স্বাক্ষর এতে ছিল না।
চিঠির গ্রহণযোগ্যতা ও নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন সাংবাদিক ও প্রার্থী। নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে থাকার পরও ভোট গ্রহণের ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্ত আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাংবাদিকেরা। দৈনিক জনকণ্ঠের সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান টিটু তাঁর ফেসবুক পোস্টে নির্বাচন অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেছেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের যে প্রস্তুতি ছিল, এ সিদ্ধান্তে তা ব্যাহত হয়েছে।
"সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের যে প্রস্তুতি ছিল, এ সিদ্ধান্তে তা ব্যাহত হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমরান খান, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদ রানা, শফিকুল ইসলাম জিতু, বায়েজীদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টিটু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মিনিট, ২৯ অক্টোবর, ২৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!