📌 তাহসিফ সাউরি মৃত্যুর প্রায় তিন মাস আগে একটি পডকাস্টে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের অভিযোগকে প্রমাণহীন বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ না থাকায় সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে তার মৃত্যুর পর এক সহপাঠী তার সাথে ভিডিও ফাঁসের ঘটনার সম্ভাব্য সংযোগ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন
তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর পর শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তার সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। তবে মৃত্যুর প্রায় তিন মাস আগে তিনি একটি পডকাস্টে এই অভিযোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। মৃত্যুর সঙ্গে এই ঘটনার কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ জুলাই ইউটিউব চ্যানেল ‘স্পিক উইথ রশীদ’-এ তাহসিফ সাউরি শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের অভিযোগকে প্রমাণহীন বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
- 📌 তিনি অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ না থাকায় বলেছিলেন, ‘রিফাত আশরাফী ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন এবং আমি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম’ — এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।
- 📌 তাহসিফ চাকরিচ্যুতির ঘটনাটিকে ‘অজুহাত’ বলে উল্লেখ করেছিলেন এবং তা তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত করার কোনো যুক্তি দেখাননি।
- 📌 মৃত্যুর পর তাহসিফের এক সহপাঠী কেএসএম ইনতিসার ইনজিমাম দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয়েছিল এবং মৃত্যুর সঙ্গে রাজনৈতিক ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।
- 📌 ইনজিমামের দাবি, তাহসিফের মরদেহের হাতের কাদা নিয়ে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
তাহসিফ সাউরি, যিনি বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন, মৃত্যুর প্রায় তিন মাস আগে একটি পডকাস্টে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের অভিযোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। ইউটিউব চ্যানেল ‘স্পিক উইথ রশীদ’-এ ২১ জুলাই প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, কোনো জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে তাঁকে ভিডিও ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। তিনি তা ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক তাঁকে প্রশ্ন করেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তাঁর কি ভূমিকা ছিল। তাহসিফের উত্তর ছিল, ‘সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিফাত আশরাফী ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন এবং আমি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।’
তাহসিফ চাকরিচ্যুতির ঘটনাটিকে নিশ্চিত কারণ হিসেবে স্বীকার করেননি। তিনি বলেছিলেন, ‘এটি একটি অজুহাত ও অভিযোগ।’ মৃত্যুর পর তার এক সহপাঠী, নৌবাহিনীতে কর্মরত কেএসএম ইনতিসার ইনজিমাম ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট থেকে তাহসিফকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেছেন, তাহসিফের মরদেহের হাতের কাদা নিয়ে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ইনজিমামের মতে, ‘গত পরশু রাতে বাইরে যাওয়ার পর তাহসিফের মরদেহ তুরাগ নদে পাওয়া যায়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফল ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।’
তাহসিফের মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইনজিমামের দাবি, ‘মৃত্যুর ঘটনাটি দুর্ঘটনা বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে ঘটেছে বলে প্রমাণিত না হলে একে রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করবেন।’ তবে তার সহপাঠীর এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণের তথ্য প্রতিবেদনে নেই। ফলে তাহসিফের মৃত্যুর কারণ কিংবা ভিডিও ফাঁসের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলার সুযোগ নেই।
"সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিফাত আশরাফী ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন এবং আমি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তুরাগ নদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাহসিফ সাউরি, কেএসএম ইনতিসার ইনজিমাম, উপস্থাপক (স্পিক উইথ রশীদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জুলাই, ৭৯তম কোর্স, ৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!