📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম: বহিষ্কারের পরও সংসদে কী অবস্থান?

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম: বহিষ্কারের পরও সংসদে কী অবস্থান?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করে গাজী নজরুল ইসলামকে, কিন্তু সংসদ সদস্য পদ এখনো বহাল। তিনি নিজেকে জামায়াতের সদস্য বলে দাবি করছেন, কিন্তু দলের নেতারা বলছেন, বহিষ্কারের পর তিনি আর দলের কেউ নন। সংসদে তাঁর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করার পরও তাঁর সংসদ সদস্য পদ এখনো বহাল রয়েছে। বহিষ্কারের পরও তিনি নিজেকে জামায়াতের সদস্য হিসেবে দাবি করছেন, কিন্তু দলের নেতারা তাঁকে বহিষ্কার করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সংসদে তাঁর দলীয় পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তাঁর আসনে বিকল্প প্রার্থী তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজী নজরুল ইসলাম নিজেকে বহিষ্কারের পরও জামায়াতের সদস্য বলে দাবি করছেন, কিন্তু দলের নেতারা তাঁকে বহিষ্কার করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
  • 📌 জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের চিঠি সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
  • 📌 রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গাজী নজরুলের বহিষ্কারের পর স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং দল থেকে তাঁর পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 মনিরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
  • 📌 জামায়াতের নেতারা বলছেন, গাজী নজরুলের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই এবং তাঁর আসনে বিকল্প প্রার্থী তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করার পরও তাঁর সংসদ সদস্য পদ এখনো বহাল রয়েছে। বহিষ্কারের পরও তিনি নিজেকে জামায়াতের সদস্য হিসেবে দাবি করছেন। গতকাল মঙ্গলবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে, সদস্যপদ আমার আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই তো এখনো আছি খাতা–কলমে, সব জায়গায়। এটা আমার যদ্দুর জানা। আর জামায়াত কী বলছে না বলছে, এটা আমার জানা নাই।’

জামায়াতের নেতাদের বক্তব্য ভিন্ন। তাঁদের ভাষ্য, বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল আর দলের কেউ নন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ আসনের এমপি মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, ‘গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের চিঠি সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এখন তিনি কী বলছেন, সে বিষয়ে জানা নেই। তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগও নেই।’

জামায়াতের দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘এটা তো ওনাকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে।’ পরে গাজী নজরুল ইসলামের কথা জানালে তিনি বলেন, ‘উনি ওনার কথা বলছেন, আর আমরা আমাদের কথা বললাম। আমরা তো দল থেকে বহিষ্কার, তারপর স্পিকার, ইলেকশন কমিশনে সব জায়গায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমাদের যতটুকু করার, আমরা তো সবই করেছি।’

বহিষ্কারের পর সংসদে গাজী নজরুলের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত ১৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ১০ সদস্যের ওই কমিটির সদস্য তিনি। কমিটির সভাপতি ও বিএনপিদলীয় এমপি মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, জামায়াত না চাওয়ায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এরপর সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটিতে গাজী নজরুলকে রাখার বিষয় নিয়ে সংসদে বিতর্ক হয়। বিরোধী দলের আপত্তির পর শেষ পর্যন্ত ওই কমিটি থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।

গাজী নজরুল বহিষ্কারের পর দল থেকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে বলা হয়েছিল, অতীতে এমন নজির রয়েছে যে বহিষ্কারের পর কেউ ভুল স্বীকার করে সংশোধিত হলে দীর্ঘ সময় পর হলেও দলে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু গাজী নজরুল সে পথে না গিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। গত ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন বিরোধী দলের একাধিক এমপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন গাজী নজরুল। ওই নির্বাচনে বিরোধী দলের হয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। তবে তিনি জামায়াত নেতাদের সাড়া পাননি।

"আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে, সদস্যপদ আমার আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই তো এখনো আছি খাতা–কলমে, সব জায়গায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাতক্ষীরা-৪ আসন, সাতক্ষীরা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাজী নজরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, মো. ইজ্জত উল্লাহ, রফিকুল ইসলাম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (সাতক্ষীরা-৪ আসন), ১০ (কমিটির সদস্য সংখ্যা), ১৮ (আগস্ট), ২০ (আগস্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖