📌 সংবিধানের ৬৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসের সংসদ সদস্য পদ বিলুপ্তির দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডটি ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি
সংবিধানের ৬৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের সংসদ সদস্য পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে ঢাকা-৮ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে— এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ‘Monzurul Hasan’ নামের ফেসবুক থেকে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের আদলে তৈরি ওই ফটোকার্ডে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার শর্তসমূহ উল্লেখ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সংবিধানের ৬৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসের সংসদ সদস্য পদ বিলুপ্তির দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারিত হয়েছে
- 📌 ফটোকার্ডটি কালের কণ্ঠের আদলে তৈরি হলেও মূল সংবাদমাধ্যমে এর কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি
- 📌 নির্বাচন কমিশন, স্পিকার কার্যালয় বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আসন শূন্য হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি
- 📌 সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার জন্য সংবিধানে নির্ধারিত শর্তাবলি মির্জা আব্বাস পূরণ করেছেন বলে প্রমাণিত
- 📌 মির্জা আব্বাস গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন এবং সংসদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণে সক্ষম বলে স্পিকারকে অবহিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
‘সংবিধানের ৬৭ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের সংসদ সদস্য পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে ঢাকা-০৮ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে’— এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ‘Monzurul Hasan’ নামের ফেসবুক থেকে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের আদলে তৈরি ওই ফটোকার্ডে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার শর্তসমূহ উল্লেখ করা হয়। গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) শেয়ার করা পোস্টটিতে ৮০৮ রিয়েকশন, ৪০ কমেন্ট ও ১৮ শেয়ার রয়েছে।
ফটোকার্ডটির বিষয়ে অনুসন্ধানে বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭(১) অনুচ্ছেদ পর্যালোচনা করা হয়। সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিষয়ে ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে কোনো সংসদ সদস্য তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করতে এবং শপথপত্র বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে অসমর্থ হলে তাঁর আসন শূন্য হবে। তবে নির্ধারিত ৯০ দিন শেষ হওয়ার আগে স্পিকার যথার্থ কারণে এই সময়সীমা বাড়াতে পারবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। ওই দিন ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের শপথ গ্রহণের বিষয়েও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রচারিত এসব প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়, মির্জা আব্বাস ১৭ ফেব্রুয়ারি সংবিধানের ৬৭(১) এর (ক) এবং (খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত নিয়ম মেনে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।
একই সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, তাঁর সুস্থ হতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে স্পিকারকে জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন না।
"সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার জন্য সংবিধানে নির্ধারিত শর্তাবলি মির্জা আব্বাস পূরণ করেছেন বলে প্রমাণিত। তিনি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন এবং সংসদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণে সক্ষম বলে স্পিকারকে অবহিত করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা আব্বাস, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭(১), ৮০৮ রিয়েকশন, ৪০ কমেন্ট, ১৮ শেয়ার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!