📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়ার প্রস্তাবকে 'হাস্যকর' বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ হাস্যকর বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সন্ত্রাসী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার উল্লেখ করেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেছেন, শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী, তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে
- 📌 তিনি বলেন, 'শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবেন কি? পাসপোর্ট দিয়ে আসবেন?'
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়
- 📌 জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল
- 📌 ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিচ্ছে, কিন্তু প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার দাবি করছে বাংলাদেশ
- 📌 হুমায়ুন কবীর বলেন, 'তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান, সুতরাং পাসপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন নাই'
📰 বিস্তারিত
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে ঢাকা সফরে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা 'হাস্যকর'। তিনি বলেন, 'এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবে যে তাঁকে পাসপোর্ট দেব? পাসপোর্ট দিয়ে আসবে? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট। এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব?'
হুমায়ুন কবীর জানান, শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে। দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার বলে আসছে ঢাকা। তবে দিল্লির কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনার কথা বলে আসছে ভারত।
হুমায়ুন কবীর বলেন, 'তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান। সুতরাং এখানে পাসপোর্ট দেওয়ার বা হস্তান্তরের প্রয়োজন নাই। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কার্যকর থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে।'
"এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবে যে তাঁকে পাসপোর্ট দেব? পাসপোর্ট দিয়ে আসবে? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট; এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর), দিল্লি, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শেখ হাসিনা, লিউ হাইশিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ নভেম্বর (মৃত্যুদণ্ড), ১ হাজার ৪০০ (মানুষের মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!