📌 সংবিধান সংশোধন কমিটির চতুর্থ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নিয়ে মতবিনিময় হয়। বিএনপি ১০ বছরের সীমা প্রস্তাবের অবস্থান থেকে সরে না। গণতান্ত্রিক অধিকার ও কর্তৃত্ববাদ বিরোধী বিবেচনায় এই প্রস্তাবের পক্ষে মতামত প্রদান করা হয়
সংবিধান সংশোধন কমিটির চতুর্থ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ ১০ বছরের মেয়াদসীমা নিয়ে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আজ (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক ও ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত হয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ বছরের মেয়াদসীমা প্রস্তাব: সংবিধান সংশোধনে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের মেয়াদসীমা নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে মতবিনিময় হয়।
- 📌 বিএনপির অবস্থান: রাজনৈতিক দল বিএনপি ১০ বছরের সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব থেকে সরে আসেনি। জুলাই মাসে জাতীয় সনদ প্রণয়নে দায়িত্ব পালনকালে এই অবস্থান ঘোষণা করা হয়েছিল।
- 📌 গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সন্দেহ: বৈঠকে কেউ কেউ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ করলে গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
- 📌 জনগণের ইচ্ছা ও কর্তৃত্ববাদ বিরোধী বিবেচনা: জনগণ কোনো নেতাকে পুনরায় দায়িত্বে দেখতে চাইলে সেই সুযোগ থাকা উচিত — এমন মতামতও বৈঠকে উঠে আসে। তবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে বিবেচনায় ১০ বছরের সীমা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বৈঠকের অংশগ্রহণকারী: কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং কমিটির সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
সংবিধান সংশোধন কমিটির চতুর্থ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ মেয়াদসীমা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার ও কর্তৃত্ববাদ বিরোধী বিবেচনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ করলে গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
বৈঠকে বিএনপির অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়। দলটি জুলাই মাসে জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় ১০ বছরের মেয়াদসীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছিল। এই অবস্থান থেকে তারা এখনো সরে আসেনি। তবে জনগণের ইচ্ছা ও নেতাকর্মীদের পুনরায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিয়ে মতামত উঠে আসে। তবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে বিবেচনায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত কমিটির সদস্যরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণের পক্ষে মতামত প্রদান করেন। বৈঠকের শেষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়।
"কেউ কেউ মনে করেন, কোনো ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ১০ বছরের সীমা নির্ধারণের যে প্রস্তাব জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় দিয়েছিল, সে অবস্থান থেকে তারা এখনো সরে আসেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী), নুরুল ইসলাম মনি, জয়নুল আবেদীন, মো. জোনায়েদ সাকি, মো. নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ফারজানা শারমীন, মো. মাহমুদুল হক রুবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (মেয়াদসীমা), ৪র্থ বৈঠক, ২৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!