📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদ সমর্থন দেখেছেন। তিনি বলেছেন, জামায়াতের আমির রেজাউল করিম চৌধুরীর অবৈধ মেয়াদকে বৈধ ঘোষণা করেছেন। শাহাদাত হোসেনের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে বলে আদালতের রায়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘বিস্মিত’ হয়ে বলেছেন, তিনি ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে গেছেন। মেয়র শাহাদাত হোসেনের মতে, জামায়াতের আমিরের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে অবৈধভাবে নির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর মেয়াদকে বৈধ ঘোষণা করার ইচ্ছা। তিনি বলেছেন, জামায়াতের আমিরের বক্তব্যে ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘বিস্মিত’ হয়ে বলেছেন, তিনি ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে গেছেন।
- 📌 মেয়র শাহাদাত হোসেনের মতে, জামায়াতের আমির রেজাউল করিম চৌধুরীর অবৈধ মেয়াদকে বৈধ ঘোষণা করেছেন।
- 📌 মেয়র শাহাদাত হোসেনের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে বলে আদালতের রায়।
- 📌 মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন, তিনি তিন বছর ধরে লড়াই করে জনগণের প্রত্যাশিত রায় পেয়েছেন।
- 📌 মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে ১১০টি মামলা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট কায়দায় ২০২১ সালের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রেজাউল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত করেছিল। রেজাউল করিম চৌধুরী অবৈধভাবে মেয়র হয়েছিলেন। ওই দিন জোর করে জনগণের রায় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এর বিরুদ্ধে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছিলাম। ট্রাইব্যুনাল আমাকে মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন।’
মেয়র শাহাদাত হোসেনের মতে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আদালতের রায় অনুযায়ী আমার মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত। জামায়াতের আমিরের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, তিনি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে গেছেন।’
মেয়র শাহাদাত হোসেনের মতে, তিনি জনগণের প্রত্যাশিত রায় পাওয়ার জন্য তিন বছর ধরে লড়াই করেছেন। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ছয় মাস ধরে জেলে থাকতে হয়। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ১১০টি মামলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে। জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এবং গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা হলে পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে জানান মেয়র শাহাদাত হোসেন।’
মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে স্বাগত জানাব। এ নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির কিছু নেই। সবারই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার আছে। সবাই মিলে গণতান্ত্রিক নির্বাচন করতে চান। অতীতে বিএনপির আমলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ভবিষ্যতেও হবে। এবারও রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য, গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে।’
"আগের যে সরকার, যে রাস্তা ধরে হেঁটেছে, এই সরকার একই রাস্তা ধরে হাঁটছে। চট্টগ্রাম তার আরেকটা বাস্তব উদাহরণ। এখানে একজন মেয়র আছেন। এখন শুনি যে উনি যত দিন ইচ্ছা তত দিন থাকবেন। এটা কি সুশাসন নাকি ফ্যাসিবাদ? আপনি আসেন, আবার নির্বাচিত হয়ে আসেন। আপনি নেতৃত্ব দেন। আমাদের কোনো আপত্তি নেই।"
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের লংমার্চকে ‘লং ড্রাইভ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে স্বাগত জানাব। এ নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির কিছু নেই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহাদাত হোসেন (মেয়র), শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির), রেজাউল করিম চৌধুরী (সাবেক মেয়র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয়, ৩ নভেম্বর, ১১০টি মামলা, ২৭ জানুয়ারি, ৪১টি ওয়ার্ড, ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!