📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপি: সাংসদীয় বিতর্ক রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রের বিপদসূচক, জ্বালানি সংকটে বিকল্প পরিকল্পনা দাবি

বিএনপি: সাংসদীয় বিতর্ক রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রের বিপদসূচক, জ্বালানি সংকটে বিকল্প পরিকল্পনা দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপি সাংসদীয় বিতর্ককে রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিপদসূচক বলে আপত্তি জানিয়েছে। তারা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটে সরকারকে বিকল্প পরিকল্পনা দাবি করে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উভয়েই সংকটময় পরিস্থিতিতে লংমার্চের বিরুদ্ধে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন

বিএনপি সাংসদীয় বিতর্ককে রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বিপদে ফেলার মতো কর্মসূচি বলে আপত্তি জানিয়েছে। দলের শীর্ষ নেতারা বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে এ ধরনের কর্মসূচিকে ‘অনুচিত’ মনে করে গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সাংসদীয় রাজনীতিতে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার জন্য চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের সুযোগ রয়েছে। তবে সাংসদীয় বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএনপি ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে ‘অনুচিত’ বলে আপত্তি জানিয়েছে এবং সংকট সমাধানে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘দেশি-বিদেশি অপশক্তি’ সংকটের সুযোগ নিতে সক্রিয় হতে পারে
  • 📌 জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধান করছে, তবে বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী ‘সুনির্দিষ্ট’ পরামর্শের আহ্বান জানানো হয়েছে
  • 📌 বিএনপির চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সরকারি দল রাজপথে কোনো পাল্টা কর্মসূচি দেবে না, জনগণই এ ধরনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করবে
  • 📌 সাবেক সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জ্বালানি চুক্তির সমালোচনা করে বিএনপি বলেছে, বর্তমান সরকারকে আগের সরকারের সংকটের দায় বহন করতে হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

জাতীয় সংসদ কার্যকর থাকা অবস্থায় সাংসদীয় বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করে বিএনপি। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে এ ধরনের কর্মসূচিকে ‘অনুচিত’ বলে উল্লেখ করেছেন। তারা সংকট সমাধানে গঠনমূলক আলোচনা ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সাংসদীয় রাজনীতিতে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার জন্য চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘সাংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। তবে অহেতুক ও দ্রুত সাংসদীয় বিতর্ক রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে সচেতন মহলকে সতর্ক থাকতে হবে।’

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অপশক্তি’ সংকটের সুযোগ নিতে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু সরকারি দলকে ‘ফাঁদে ফেলার’ উদ্দেশ্যে সাংসদীয় রাজনীতি পরিচালনা করা যায় না। কৃত্রিম বা ভাসা-ভাসা সমালোচনার পরিবর্তে ‘সুনির্দিষ্ট’ ও ‘বাস্তবসম্মত’ পরামর্শ নিয়ে এলে তা দেশ পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

বিরাজমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের আমদানিনির্ভরতা ও ভুল নীতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতগুলো এখন চাপে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ না নেওয়াকে শুধু দুর্নীতি নয়, জাতির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। বর্তমান সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধান ও নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির চিফ হুইপ ও ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আন্দোলন করা বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে লংমার্চের মতো কর্মসূচি আরও কিছুদিন পরে হলে ভালো হতো। তিনি বলেন, সরকারি দল থেকে রাজপথে পাল্টা কোনো সংঘাতময় কর্মসূচি দেওয়া হবে না। জনগণই এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচির ভালো-মন্দ বিচার করবে।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত গণতন্ত্রের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের সরকারের সময় গণতন্ত্রের বিভিন্ন স্তম্ভ ধ্বংস এবং দেশের বিপুল সম্পদ নিঃশেষ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাবেক সরকারের সময় দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার দায়ভার বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন উৎস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাসাবাড়ির ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে সোলার সিস্টেম স্থাপনে মানুষকে উৎসাহিত করতে কর-সুবিধাসহ বিভিন্ন প্রণোদনার কথা সংসদে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

"সাংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। তবে অহেতুক ও দ্রুত সাংসদীয় বিতর্ক রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে সচেতন মহলকে সতর্ক থাকতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (রাজধানী ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির উদ্দিন স্বপন, নুরুল ইসলাম মনি, রুহুল কবির রিজভী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖