📌 মুক্তাগাছা থানায় বিএনপি নেতা আরিফ রব্বানী ওসির কক্ষে প্রবেশের বিরোধে পুলিশের সংঘর্ষে জড়িত হন। পরে ৪০-৫০ জন লোক নিয়ে থানার ফটক ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, কোনো ধস্তাধস্তি বা আঘাতের ঘটনা ঘটেনি
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানায় বিএনপির নেতা আরিফ রব্বানী ওসির কক্ষে প্রবেশের বিরোধে পুলিশের সংঘর্ষে জড়িত হন। রোববার রাতে এই ঘটনার পর তিনি ৪০ থেকে ৫০ জন লোক নিয়ে থানার দিকে যাওয়ার সময় প্রধান ফটক ও ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পুলিশের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর থানার বাইরে বেরিয়ে আসা আরিফ রব্বানীকে এলাকাবাসীরা অনুসরণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলামের কক্ষে প্রবেশের বিরোধে বিএনপি নেতা আরিফ রব্বানী ও পুলিশের সংঘর্ষে জড়িত হন।
- 📌 সংঘর্ষের পর আরিফ রব্বানী ৪০-৫০ জন লোক নিয়ে থানার ফটক ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর করেন।
- 📌 ভাঙচুরে থানার পাশের ট্রাফিক বক্সের কাচ ভেঙে ফেলা হয় এবং রড বাঁকানো হয়।
- 📌 পুলিশের দাবি, কোনো ধস্তাধস্তি বা আঘাতের ঘটনা ঘটেনি। তবে মামলা হয়নি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
- 📌 আরিফ রব্বানী মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঈশ্বরগ্রাম এলাকার বাসিন্দা।
📰 বিস্তারিত
রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে আরিফ রব্বানী থানায় গিয়ে ওসির কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করেন। দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মো. বকুল মিয়া তাঁকে জানান যে, ওসি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠক করছেন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। এরপর আরিফ রব্বানী ও পুলিশ সদস্যের মধ্যে উচ্চবাচ্য হয়। ওসি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু কথা-কাটাকাটি অব্যাহত থাকে। ওসি কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার সময় যুবদল কর্মী সুমন ও আদিলসহ কয়েকজন তখন থানায় ছিলেন। তাঁরা আরিফ রব্বানীকে বুঝিয়ে থানার বাইরে নিয়ে যান। কোনো ধস্তাধস্তি বা আঘাতের ঘটনা ঘটেনি।
ওসি বলেন, রাত ১০টার একটু আগে তিনি থানার বাইরে যাওয়ার সময় দেখতে পান, অনেক লোক লাঠি ও দেশি অস্ত্র নিয়ে থানার দিকে আসছেন। তাঁদের পেছনে আরিফ রব্বানীও ছিলেন। তিনি ওয়্যারলেসে থানায় খবর দেন। পরে কয়েকজন লোক থানার গেটে এসে ভাঙচুর করেন। থানার পাশের ট্রাফিক বক্সে আঘাত করে কাচ ভেঙে ফেলা হয় এবং রড বাঁকানো হয়। পুলিশ সদস্যরা গেটের কাছে পৌঁছালে ভাঙচুরকারী লোকেরা পালিয়ে যায়।
মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি শুনেছেন আরিফ রব্বানী থানায় অভিযোগ দিতে গিয়েছিলেন। ওসির কক্ষে প্রবেশের সময় পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার কিছু লোক থানায় এসেছিলেন। তিনি নিজে ভাঙচুরের ঘটনা দেখেননি। বিষয়টি নিয়ে কাল দিনের বেলা খোঁজখবর নেওয়া হবে।
"থানায় হামলার ঘটনা কোনোভাবেই হতে পারে না। তারপরও যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে আমরা সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।"
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডার জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। বিস্তারিত জানাতে ওসিকে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুক্তাগাছা থানা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ রব্বানী (বিএনপি নেতা, মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক), ওসি কামরুল ইসলাম, মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সদস্যসচিব মো. রুকুনোজ্জামান রোকন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০-৫০ জন লোক, রাত ৮:৩০, রাত ১০:০০, রাত ১১:০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!