📌 বিএনপির উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিরোধী দল সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে আড়াল করার জন্য ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। তিনি জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক বিষয়ে বিরোধীদের গঠনমূলক কোনো প্রস্তাব না থাকায় সমালোচনা করেছেন
বিএনপির উপদেষ্টা ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিরোধী দল সরকারের সার্বিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে আড়াল করার জন্য ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে এবং লংমার্চের নামে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধী দলের লংমার্চের কর্মসূচি "ষড়যন্ত্রের পথ" হিসেবে বর্ণনা করেছেন রিজভী
- 📌 সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের "অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ" ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন
- 📌 জ্বালানি সংকটে বিরোধী দলের "কোনো গঠনমূলক প্রস্তাবনা" না থাকায় সমালোচনা করেছেন
- 📌 "৭০ শতাংশ জনগণের গণভোটকে অবৈধ" বলে আখ্যায়িত করার কথা উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেছেন, "এ দুঃসাহস কে দিয়েছে?"
- 📌 বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন রিজভী
📰 বিস্তারিত
রিজভী বলেছেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করলেও সাধারণ জনগণ তাদের ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে সংসদে নিজেদের দাবি বা প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে, যা মূলত সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে আড়াল করার চেষ্টা। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে শুধু সমালোচনা করছে, কিন্তু কোনো গঠনমূলক প্রস্তাবনা নেই।
রিজভী লংমার্চের নামে বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে এবং দলকে সেগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, যা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনগণের সামনে যেসব শব্দ উচ্চারণ করা যায় না, তা প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে।
রিজভী আরও বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনাই করে যাচ্ছে, অথচ সংকট নিরসনে তাদের কোনো গঠনমূলক প্রস্তাবনা নেই। তারা সংসদে এই বিষয়ে কোনো পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোকে তারা জনগণের সামনে তুলে না ধরে আড়াল করার চক্রান্ত করছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আরও উল্লেখ করেছেন, বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সার্বিক কর্মসূচি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।
"সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করে বেডালেও সাধারণ জনগণ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে নিজেদের দাবি বা প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে, যা মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ঢাকা দেওয়ারই অপচেষ্টা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, নয়াপল্টন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী, মামুনুল হক, আব্দুস সালাম আজাদ, মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, জাহিদুল কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!