📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চে শফিকুর রহমান: সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, ফ্যাসিবাদ শুরু হয়েছে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান মূল
১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চে শফিকুর রহমান: সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, ফ্যাসিবাদ শুরু হয়েছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চে শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে এবং ফ্যাসিবাদ শুরু হয়েছে। তিনি বিদ্যুৎ সংকট ও গণহত্যার বিচারের অভিযোগ তুলেছেন এবং দাবি করেছেন, বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকলেও সাধারণ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই

১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় শফিকুর রহমানের সতর্কবার্তা: বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে এবং ফ্যাসিবাদ শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শফিকুর রহমান বলেছেন, বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকলেও সাধারণ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই।
  • 📌 তিনি দাবি করেছেন, গত ছয় মাসে গণহত্যার বিচার শুরু হয়নি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া বিচারগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
  • 📌 ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় ১৫ বছর অপেক্ষা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না’।
  • 📌 নাহিদ ইসলাম (এনসিপি) বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর বর্তমান সরকার কোনো আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারেনি’।
  • 📌 ৭০ শতাংশ লোক গণভোটের পক্ষে রায় দিলেও ৫০ শতাংশ ভোটে জয়ী সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না — মাওলানা মামুনুল হক।
  • 📌 ১৭ বার সংবিধান সংশোধন বাতিল হয়েছে — মাওলানা মামুনুল হক।

📰 বিস্তারিত

শনিবার বিকেল চারটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল এলাকায় ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও গণহত্যার বিচারের প্রসঙ্গ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকে, সংসদে বিদ্যুৎ থাকে, কিন্তু সাধারণ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকে না। গত ছয় মাসে শাপলা চত্বরে গণহত্যা, পিলখানার হত্যার মতো বড় বড় গণহত্যার বিচার শুরু হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যতগুলোর বিচার শুরু হয়েছিল, তার অনেকগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।’

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের কারও মামার বাড়ি বা পিসির বাড়ি নেই। আমরা এ দেশেই জন্ম নিয়েছি। এ দেশ আমাদের ঠিকানা। আমরা তরুণদের হাতে দেশ তুলে দিতে চাই।’ জামায়াত ও এনসিপির সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর বর্তমান সরকার গণ-অভ্যুত্থানের কোনো আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। র‌্যাব বিলুপ্ত না করে নতুন নামে আনছে সরকার। বিএনপি সিন্ডিকেট করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে। বিএনপি দুর্নীতি করলে দেশের মানুষ ছাড় দেবে না। ১১-দলীয় নেতা-কর্মীর ওপর নির্যাতন করা হলে বিএনপিকে আমরা ছাড় দেব না। আঘাত দিলে পাল্টা আঘাত আসবে।’

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আত্মবিশ্বাস নেই। তারা গণভোটের রায় মানছেন না। আমরা জোর করে হলেও তাদের গণভোটের রায় মানাতে বাধ্য করব। হাসিনা চলে গেলেও এ সরকার তাদের আদলে দেশ চালাচ্ছে। শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ। তাঁর ডাকে ভবিষ্যতে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে আপনারা পথে নেমে আসবেন বলে আশা করছি।’

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তি। ৭০ শতাংশ লোক গণভোটের পক্ষে রায় দিলেও ৫০ শতাংশ জনগণের ভোটে জয়ী সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না। এক মায়ের এক সন্তান বৈধ হলে অপর সন্তান অবৈধ হতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষকে সংবিধান সংশোধনের নামে হাইকোর্ট দেখিয়ে লাভ নেই। বিগত সময়ে সংবিধান সংশোধনের পর তা ১৭ বার বাতিল হয়েছে। বিএনপি চরম দলীয়করণের মাধ্যমে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। গণভোটের রায় না মানলে আমরা বিএনপিকে চূড়ান্তভাবে লাল কার্ড দেখাতে বাধ্য হব।’

"আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকে, কিন্তু সাধারণ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকে না। গত ছয় মাসে গণহত্যার বিচার শুরু হয়নি।" — শফিকুর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ফেনী সদর উপজেলা, মহিপাল এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান, নাহিদ ইসলাম, মাওলানা মামুনুল হক, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ১৫ বছর, ৭০ শতাংশ, ৫০ শতাংশ, ১৭ বার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖