📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যবহার একই, তবু জুনে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল: পিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের যুক্তি, ৫ কোটি গ্রাহকের ক্ষোভ, প্রিপেইডে টাকা হাওয়া

ব্যবহার একই, তবু জুনে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল: পিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের যুক্তি, ৫ কোটি গ্রাহকের ক্ষোভ, প্রিপেইডে টাকা হাওয়া

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম — তাপমাত্রা বেশি, দাম বেড়েছে। ৫ কোটি গ্রাহক, পোস্টপেইডে অনুমাননির্ভর বিল, প্রিপেইডে টাকা হাওয়া। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-সাভার-রাজশাহীসহ এলাকা। জ্বালানি আমদানি ১০.৬৮ বিলিয়ন ডলার (৬.৪২% বৃদ্ধি), গ্যাস উৎপাদন কমছে।

"ব্যবহার একই, তবু জুনে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল" — প্রতিবছর জুন শেষ হলেই বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে শুরু হয় উৎকণ্ঠা, আগের মাসের চেয়ে কয়েক গুণ বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়েই অনেকের চোখ কপালে ওঠে এবং এবারও নিয়মে ফেরেনি এই অনিয়ম। গ্রাহকদের প্রশ্ন — বাসায় নতুন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র লাগানো হয়নি, তার ওপর ছিল লোডশেডিং, তবু কেন জুনের বিদ্যুৎ বিল কয়েক গুণ বাড়ল! বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম দাবি করছেন জুনে তাপমাত্রা বেশি থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি হয়েছে — তবে গ্রাহকরা এই যুক্তি মানছেন না।

🔴 মূল পয়েন্ত

  • পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম: "জুনে তাপমাত্রা বেশি থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি হয়েছে — বিদ্যুতের দাম বেড়েছে, তাই বিল বেশি এসেছে, এটা স্বাভাবিক।"
  • গ্রাহক: প্রায় ৫ কোটি — বড় অংশ পোস্টপেইড মিটার; অনেক এলাকায় নিয়মিত মিটার রিডিং নেওয়া হয় না, অনুমাননির্ভর বিল দেওয়া হয়, কোথাও একসঙ্গে কয়েক মাসের রিডিং যোগ করা হয়।
  • প্রিপেইড মিটার: জুন-জুলাইয়ে রিচার্জ করার পরপরই টাকা হাওয়া হয়ে যাচ্ছে।
  • এলাকা: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, হবিগঞ্জসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকা।
  • জ্বালানি আমদানি: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭০.৪১ বিলিয়ন ডলারের এলসি নিষ্পত্তি — এর মধ্যে ১০.৬৮ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি/পেট্রোলিয়াম; জ্বালানি আমদানি বেড়েছে ৬.৪২% (আগের বছর ১০.০৩ বিলিয়ন)।
  • গ্যাস উৎপাদন: অভ্যন্তরীণ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমছে — LNG আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বহুগুণ বেড়েছে।

সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের যৌক্তিক প্রশ্নে নানা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন বিদ্যুৎ খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা — পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম দাবি করছেন জুনে তাপমাত্রা বেশি থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি হয়েছে এবং বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। দেশে বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রায় পাঁচ কোটি — এর বড় একটি অংশ এখনও পোস্টপেইড মিটার ব্যবহার করেন এবং এসব গ্রাহকের অভিযোগ, অনেক এলাকায় নিয়মিত মিটার রিডিং নেওয়া হয় না — কোথাও কোথাও দেওয়া হয় অনুমাননির্ভর বিল, আবার কোথাও একসঙ্গে কয়েক মাসের রিডিং যোগ করা হয়। প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা বলছেন, জুন-জুলাইয়ে বিদ্যুৎ বিল রিচার্জ করার পরপরই টাকা হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকা তো বটেই; নারায়ণগঞ্জ, সাভার, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, হবিগঞ্জসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ মিলেছে।

কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানি বেড়েছে — বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে এই সময়ে ৭০.৪১ বিলিয়ন ডলারের এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে, যার মধ্যে ১০.৬৮ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম এবং জ্বালানি আমদানি বেড়েছে ৬.৪২ শতাংশ (আগের বছর ১০.০৩ বিলিয়ন ডলার)। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের খনি থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমছে — চাহিদা পূরণের জন্য বাধ্য হয়ে এলএনজি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরশীলতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 100%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖