📌 বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি রাড্ডা হামলা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে
বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি রাড্ডা হামলা অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি'র মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন এই তথ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি রাড্ডা হামলা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন।
- 📌 পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, 'সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায়' পদ ছেড়ে দিচ্ছেন।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- 📌 বিএনপি'র রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, "বিএনপি কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না।"
- 📌 রাড্ডা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি'র আরও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে 'কঠোর ব্যবস্থা' নেওয়া হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
গত মে মাসে শপথ নেওয়ার মাত্র চার মাস পর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। তিনি স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছেন পদত্যাগপত্র, যেখানে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, রাড্ডা হামলা ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগের তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলায় প্রধানমন্ত্রী তাকে সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।" বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নেতা জানান, রাড্ডা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দলের আরও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে 'কঠোর ব্যবস্থা' নেওয়া হচ্ছে। তবে দলীয় সূত্র জানায়, পুলিশ তদন্ত করছে এবং তারা তাদের মতো করে ব্যবস্থা নেবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌনে দুইটার দিকে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি স্পিকারের কার্যালয়ে গিয়ে দশ মিনিটের মতো অবস্থান করেন। সেখানে তিনি স্পিকারের সঙ্গে কথা বলেন। সাংবাদিকদের জানান, "আমি স্পিকারের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি, কথা বলেছি।" তবে পদত্যাগের বিষয়ে সরাসরি জবাব না দিয়েই বলেন, "বিএনপি'র সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে।"
পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, "আমি ফেরদৌসী আহমেদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩) পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।" স্পিকার তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। পরে সচিবালয় তার আসন শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
"বিএনপি কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এটি আবারও প্রমাণিত হলো,
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মিরপুর এলাকা, জাতীয় সংসদ সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, সালাহউদ্দিন আহমদ, রাশেদ খান, শায়রুল কবির খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (সংরক্ষিত মহিলা আসন), ৩২৩ (মহিলা আসন), ১০ মিনিট (স্পিকারের সাথে কথাবার্তা), ৫ মিনিট (পড়ার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!