📌 জাতীয় সংসদে মানবাধিকার কমিশন বিল ও গুম প্রতিরোধ বিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন বিলে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হলেও বিরোধীদের অভিযোগ প্রতিবেদনে অসঙ্গতি রয়েছে
জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন বিলে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বেশ কয়েকটি সংশোধনী সুপারিশ করেছে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, কমিটির প্রতিবেদনে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে অসঙ্গতি রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানবাধিকার কমিশন বিলে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সংশোধনী সুপারিশ করেছে সাংসদীয় কমিটি
- 📌 তদন্তকালীন সময়ে কমিশন যেকোনো স্থান পরিদর্শনের ক্ষমতা পাবে বলে সুপারিশ করা হয়েছে
- 📌 কমিশন গঠনে একজন নারী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য রাখার সুপারিশ করা হয়েছে
- 📌 বিরোধী দলের অভিযোগ, প্রতিবেদনে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে অসঙ্গতি রয়েছে
- 📌 গুম প্রতিরোধ বিলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়নি
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন বিলে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বেশ কয়েকটি সংশোধনী সুপারিশ করেছে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তকালীন সময়ে কমিশন যেকোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং যেকোনো স্থান পরিদর্শন করতে পারবে। তবে কমিটি এখানে 'যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে' শব্দগুলো বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর ফলে তদন্তের সময় পরিদর্শনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
মানবাধিকার কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে কমিশন গঠন করা হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন নারী সদস্য রাখার কথা বলা হলেও সাংসদীয় কমিটি একজন নারীর পাশাপাশি একজন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য রাখার সুপারিশ করেছে। এছাড়া কমিশন গঠনের জন্য বাছাই কমিটিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি বা তাঁর মনোনীত মানবাধিকার বিষয়ে অভিজ্ঞ সাংবাদিক প্রতিনিধি যুক্ত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।
বিরোধী দলের সদস্যরা কমিটির আলোচনায় অংশগ্রহণ না করার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, কমিটির প্রতিবেদনে তাঁদের অংশগ্রহণের বিষয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। বিরোধী দলের সদস্য নাজিবুর রহমান ও আলফারুক আব্দুল লতিফের নাম উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা বিস্তারিত আলোচনার আগে কমিটি কক্ষ ত্যাগ করেছিলেন। তাঁরা লিখিতভাবে কমিটিকে বক্তব্য দিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
"ইনঅ্যাকশন ইজ অলসো অ্যাকশন। বিরোধী দলের সদস্যরা বিলের বিরোধিতা করে তাঁদের মত প্রকাশ করেছেন।"
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের ওপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এই প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় আপত্তি জানান কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর নুরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেন, তাঁরা কেন ওয়াকআউট করেছিলেন, সে বক্তব্য কমিটির বৈঠকে দিয়েছেন। প্রতিবেদনে সক্রিয় শব্দটি কার্যকর নয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নওশাদ জমির, জয়নুল আবেদীন, নাজিবুর রহমান, আলফারুক আব্দুল লতিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন কমিশনার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!