📌 একজন লেখক মৃত্যুর পরেও নিজের অস্তিত্বের লুপে আটকে পড়েছেন। তিনি মনে করেন, মৃত্যুর কারণে তার জীবন একটা 'ট্রুম্যান শো'-এর মতো হয়ে গেছে—যেখানে সবাই তাকে দেখতে পায় না। লেখাটি হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও নিজের লেখালেখির স্বপ্নের কথা তুলে ধরে
মৃত্যুর পরেও একজন লেখকের জীবন কীভাবে লুপে আটকে যায়, সে সম্পর্কে একটি অদ্ভুত গল্প। একজন লেখক নিজেকে মনে করেন, মৃত্যুর কারণে তার জীবন একটা 'ট্রুম্যান শো'-এর মতো হয়ে গেছে—যেখানে সবাই তাকে দেখতে পায় না। তিনি লিখেছেন, 'আমি বোধ হয় বেঁচে নেই। তাই আমায় ওরা দেখতে পায় না। ওরা হয়তো দেখতে পায় না বৃষ্টি, লোডশেডিং, সাত মাথার ভিড়—অথবা একটা মানুষ ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে তাকে।'
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 একজন লেখক মৃত্যুর পরেও নিজের অস্তিত্বের লুপে আটকে পড়েছেন এবং মনে করেন, তার জীবন 'ট্রুম্যান শো'-এর মতো হয়ে গেছে—যেখানে সবাই তাকে দেখতে পায় না।
- 📌 লেখক মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে জীবনের রুটিনে আটকে পড়েছেন এবং মনে করেন, প্রতিদিনের একই লুপে তিনি ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছেন।
- 📌 তিনি নিজেকে ট্রাভিস বাইকেলের মতো মনে করেন, যিনি একা থাকলেও জীবনের লুপে আটকে পড়েছেন।
- 📌 লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়ার পর তার বন্ধু লিয়াকত তাকে 'কাফকা লেভেলে' চলে যাওয়া বলে মন্তব্য করেছিলেন।
- 📌 লেখক নিজেকে মনে করেন, মৃত্যুর কারণে তার জীবন একটা 'ট্রুম্যান শো'-এর মতো হয়ে গেছে, যেখানে সবাই তাকে দেখতে পায় না।
📰 বিস্তারিত
একজন লেখক তার মৃত্যুর পরেও জীবনের লুপে আটকে পড়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'আমি প্রায় নব্বই শতাংশ মারা গেছি। প্রায় তিন বছর হলো। বিষয়টা ভয়ংকর হওয়ার কথা। অথচ বেশ উপভোগ করছি। মরে যাওয়ার কারণে আমার মনে কোনো ব্যথা হয় না।' তিনি মনে করেন, মৃত্যুর কারণে তার জীবন একটা 'ট্রুম্যান শো'-এর মতো হয়ে গেছে—যেখানে সবাই তাকে দেখতে পায় না। তিনি লিখেছেন, 'আমি বোধ হয় বেঁচে নেই। তাই আমায় ওরা দেখতে পায় না। ওরা হয়তো দেখতে পায় না বৃষ্টি, লোডশেডিং, সাত মাথার ভিড়—অথবা একটা মানুষ ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে তাকে।'
লেখক মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে জীবনের রুটিনে আটকে পড়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে গেলাম। প্রতিটি আইটেম গেল। কার্ড গেল। টার্ম গেল। প্রফ এল। সাগরের মতো বিশাল একটা সিলেবাস সামনে রেখে আমি সিহ্যাভেনের বাসিন্দা হয়ে গেলাম। সবকিছু সাজানো। সবকিছু নির্দিষ্ট। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার। একই রাস্তা। একই ক্লাস। একই মুখ। একই হাজিরা। একই অ্যাবসেন্ট ফি। আমি একটু একটু করে পড়ছি। আর তারও বেশি সব ভুলে যাচ্ছি। মনে হচ্ছে, রবিবার থেকে বৃহস্পতিবারের একটা লুপে আটকে আছি।'
লেখক নিজেকে ট্রাভিস বাইকেলের মতো মনে করেন, যিনি একা থাকলেও জীবনের লুপে আটকে পড়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'মুভিটা শেষ হওয়ার পর ল্যাপটপের স্ক্রিনে নিজের মুখ দেখলাম। কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, ট্রাভিস বাইকেল আর আমার মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। শুধু সে ট্যাক্সি চালায়। আমি মেডিক্যাল কলেজে পড়ি।'
লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়ার পর তার বন্ধু লিয়াকত তাকে 'কাফকা লেভেলে' চলে যাওয়া বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি লিখেছেন, 'হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়ে আমার মহাপণ্ডিত বন্ধু লিয়াকত বেশ নাক সিটকাত। বিশেষত হিমু সিরিজ পড়ার পর একদিন বিরক্ত মুখে বলেছিল, —ধুর ভাই, কী ছাতার মাথা লেখে এই লোক!'
"আমি বোধ হয় বেঁচে নেই। তাই আমায় ওরা দেখতে পায় না। ওরা হয়তো দেখতে পায় না বৃষ্টি, লোডশেডিং, সাত মাথার ভিড়—অথবা একটা মানুষ ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে তাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেডিক্যাল কলেজ, হোস্টেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একজন লেখক, হুমায়ূন আহমেদ, হারুকি মুরাকামি, জন স্টেইনবেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ, তিন বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!