📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫০ কোটি টাকার শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত ভবনে

৫০ কোটি টাকার শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত ভবনে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নির্মিত ৫০ কোটি টাকার শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে কেন্দ্রটির সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় নির্মিত ৫০ কোটি টাকার শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রটির উদ্বোধনের পর থেকে নিয়মিত কার্যক্রম না থাকায় ভবনটি পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত স্থাপনায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৩ সালের মার্চে উদ্বোধিত কেন্দ্রটির নির্মাণ ব্যয় ছিল ৫০ কোটি টাকা
  • 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কেন্দ্রটিতে ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে
  • 📌 কেন্দ্রটির মিলনায়তনের সরঞ্জাম, আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরি হয়ে যায়
  • 📌 কেন্দ্রটির পরিচালনা কমিটির তিন বছরে কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি
  • 📌 কেন্দ্রটিতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র দুইজন কর্মী
  • 📌 কেন্দ্রটির প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে ২০ টাকা

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের মার্চ মাসে উদ্বোধন হওয়া শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৫০ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির মূল উদ্দেশ্য ছিল রবীন্দ্রসংগীতের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনা করা। এছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা ও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু উদ্বোধনের পর থেকে কেন্দ্রটিতে নিয়মিত কোনো সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কেন্দ্রটিতে ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রটির মিলনায়তনের সরঞ্জাম, আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে কিছু সামগ্রী ফেরত আনা হলেও কেন্দ্রটির মূল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

কেন্দ্রটির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান, কমিটির তিন বছরে কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে কেন্দ্রটির নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কেন্দ্রটিতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র দুইজন কর্মী—টেকনিশিয়ান মোহাম্মদ সামিউজ্জামান ইমন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী জয় হরিচরণ।

কেন্দ্রটির নিজস্ব তহবিলে প্রায় এক কোটি টাকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন। তিনি জানান, কেন্দ্রটির মাসিক ব্যয় হয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। কেন্দ্রটির প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে ২০ টাকা।

"একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান শুধু ভবন, জাদুঘর কিংবা মিলনায়তন দিয়ে জীবন্ত হয় না। নিয়মিত অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, শিল্পীদের অংশগ্রহণ এবং দর্শনার্থীদের আনাগোনার মধ্য দিয়েই একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রাণ পায়। শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এখন সেই প্রাণেরই অভাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সামিউজ্জামান ইমন, আমেনা খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ কোটি, ৫৩টি, ২জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖