📌 ২০০৫ সালে প্রকাশিত রামেন্দু মজুমদারের লেখা ‘আমাদের থিয়েটার, তাদের থিয়েটার’ প্রবন্ধে আন্তর্জাতিক থিয়েটার সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা তুলে ধরা হয়েছে। শারজা নাট্যোৎসবের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তুলে ধরেছেন কীভাবে সংস্কৃতি ও অবকাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও দর্শক তৈরিতে সফল হতে পারে
২০০৫ সালের ২৯ এপ্রিল প্রথম আলোর সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত হয় রামেন্দু মজুমদারের প্রবন্ধ ‘আমাদের থিয়েটার, তাদের থিয়েটার’। দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রথম আলোর কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকা এই লেখাটি এখন অনলাইন পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো। প্রবন্ধে তিনি তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের থিয়েটারের আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের থিয়েটারের আন্তর্জাতিক মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন উঠে, যার উত্তর দেওয়া সহজ নয় বলে উল্লেখ করেন লেখক।
- 📌 প্রতিটি দেশের থিয়েটার তার নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় তুলনামূলক বিচার কঠিন হয়ে পড়ে।
- 📌 ইংরেজদের প্রতি ঋণ স্বীকার করে লেখক বলেন, উপনিবেশবাদের প্রভাব এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি।
- 📌 আরব আমিরাতের শারজায় অনুষ্ঠিত ১৫তম বার্ষিক নাট্যোৎসবের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন তিনি।
- 📌 শারজার শাসক ড. শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসেমির দুটি পিএইচডি ডিগ্রি ও ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে।
- 📌 শারজার মিলনায়তনে ৪০০ দর্শকের আসন রয়েছে এবং প্রতিটি প্রদর্শনী দর্শকে পূর্ণ ছিল।
📰 বিস্তারিত
রামেন্দু মজুমদার তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের থিয়েটারের আন্তর্জাতিক মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, শিল্পকলার ক্ষেত্রে তুলনামূলক বিচার বেশ দুরূহ। প্রতিটি দেশের থিয়েটার তার নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের তুলনা করা যায় না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ইংরেজদের প্রতি ঋণ স্বীকার করতে হয়, কারণ প্রসেনিয়াম থিয়েটার বা গ্রুপ থিয়েটার চর্চার ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব রয়েছে।
লেখক তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে জানান যে তিনি দিন দশেক আগে আরব আমিরাতের শারজায় যাওয়ার সুযোগ পান। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় ১৫তম বার্ষিক নাট্যোৎসব। শারজার শাসক ড. শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসেমির দুটি পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে ইংল্যান্ডের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৮টি, যার বেশিরভাগই বিদেশের সম্ভ্রান্ত প্রকাশনালয় থেকে প্রকাশিত।
শারজার মিলনায়তনে প্রবেশের আগে দুদিকে বিশাল অপেক্ষা করার ঘর রয়েছে। মিলনায়তনে প্রবেশের পর দেখা যায় যে প্রতিটি প্রদর্শনী দর্শকে পূর্ণ ছিল। দর্শকদের জন্য বিনে পয়সায় চা-কফির ব্যবস্থাও ছিল। লেখক উল্লেখ করেন যে শারজার সংস্কৃতি দপ্তরের কর্মকর্তারা নাটকের ব্যাপারে আন্তরিক হলেও তরুণ নাট্যকর্মীরা কাজের সুযোগ পান না বলে অভিযোগ করেন।
"আমরা লন্ডন, নিউইয়র্কে কী ধরনের নাটক হচ্ছে তার খবর রাখার চেষ্টা করি; কিন্তু আসাম বা মণিপুরে নাটকের ক্ষেত্রে কী ঘটছে সে সম্পর্কে কি আমাদের কোনো ধারণা আছে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শারজা, আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রামেন্দু মজুমদার, ড. শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসেমি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ (বার্ষিক নাট্যোৎসব), ১৮ (প্রকাশিত গ্রন্থ), ৪০০ (দর্শকের আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!