📌 জার্মানিতে জেন-জিদের ডাকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৬৮ হাজার মানুষের মধ্যে কয়েকটি শহরে সহিংসতা দেখা দিল। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ও গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জলকামান ও পিপার স্প্রে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়
জার্মানির বিভিন্ন শহরে গত শনিবার জেন-জিদের ডাকে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পর সন্ধ্যায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতা প্রধানত ফ্রাঙ্কফুর্ট, হামবুর্গ, বার্লিন, স্টুটগার্ট ও কোলনে দেখা দেয়। পুলিশের ট্রেড ইউনিয়নের ফেডারেল পুলিশ শাখার চেয়ারম্যান আন্দ্রেয়াস রসকপ্ফ জানান, মূল কর্মসূচি শেষে এই শহরগুলোতে পরিস্থিতি অবনতির সাক্ষী হন। সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে ‘উগ্র বামপন্থী ও মুখোশধারী’ ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জার্মানির ১০টি শহরে জেন-জিদের ডাকে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ৬৮ হাজার মানুষ অংশ নেন, এর মধ্যে ৪টি শহরে সহিংসতা দেখা দেয়
- 📌 সহিংসতায় পুলিশ জলকামান ও পিপার স্প্রে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও কয়েকজন আহত হন
- 📌 হামবুর্গের স্টাইনডাম এলাকায় বিক্ষোভকারীরা পটকা, আতশবাজি ও বোতল নিক্ষেপ করে, নির্মাণস্থলের প্রতিবন্ধকতা আগুনে জ্বালিয়ে দেন
- 📌 ফ্রাঙ্কফুর্টে ৮ হাজার বিক্ষোভকারী পুলিশকে লক্ষ্য করে পটকা নিক্ষেপ করে, পুলিশ জলকামান মোতায়েন করে
- 📌 নুরেমবার্গে পটকা নিক্ষেপে একজন বিক্ষোভকারী আহত হন, এরফুর্টে ১ হাজার ৯০০ জনের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল
📰 বিস্তারিত
জার্মানিজুড়ে গত শনিবার জেন-জিদের ডাকে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ৬৮ হাজার মানুষ অংশ নেন। অধিকাংশ শহরে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে চললেও সন্ধ্যায় ফ্রাঙ্কফুর্ট, হামবুর্গ, বার্লিন, স্টুটগার্ট ও কোলনে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে ‘উগ্র বামপন্থী ও মুখোশধারী’ ছিলেন। পুলিশের ট্রেড ইউনিয়নের ফেডারেল পুলিশ শাখার চেয়ারম্যান আন্দ্রেয়াস রসকপ্ফ জানান, মূল কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর এই শহরগুলোতে পরিস্থিতি অবনতির সাক্ষী হন।
হামবুর্গের প্রধান রেলস্টেশনের কাছে স্টাইনডাম এলাকায় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পটকা, আতশবাজি ও বোতল নিক্ষেপ করে। তারা নির্মাণস্থলের প্রতিবন্ধকতা খুলে রাস্তায় ছুড়ে ফেলেন এবং সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশ দুটি জলকামান ব্যবহার করে ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়। সংঘর্ষের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রায় আট হাজার বিক্ষোভকারী পুলিশকে লক্ষ্য করে পটকা নিক্ষেপ করে। পুলিশ জলকামান মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
বার্লিনের ব্রান্ডনবুর্গ গেট এলাকায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হয়। রোজেনথালার প্লাৎজ থেকে প্রেনৎসলাউয়ার বের্গের দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল এগিয়ে যায়। সেখানে আন্তর্জাতিক সংহতি ও ফিলিস্তিনের পক্ষে স্লোগান শোনা যায়। কার্লসরুহ শহরে প্রায় দুই হাজার মানুষের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। পুলিশ ডানপন্থী মতাদর্শের প্রায় ১০০ জনের একটি দলকে বিক্ষোভকারীদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। নুরেমবার্গে পটকা নিক্ষেপের ঘটনায় একজন বিক্ষোভকারী আহত হন। সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশ নেন। এরফুর্টে প্রায় এক হাজার ৯০০ মানুষের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা সামাজিক খাতে ব্যয় সংকোচন ও সম্ভাব্য বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরোধিতা করেন। ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশও ছিল তাঁদের দাবির অন্যতম বিষয়।
"জেন-জি রেগেল্ট বলেছেন, জার্মানির বিভিন্ন শহরে ৬৮ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। অধিকাংশ শহরে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট, হামবুর্গ, বার্লিন, স্টুটগার্ট, কোলন, ব্রেমেন, কার্লসরুহ, নুরেমবার্গ, এরফুর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আন্দ্রেয়াস রসকপ্ফ (পুলিশের ট্রেড ইউনিয়নের চেয়ারম্যান), জেন-জি রেগেল্ট (বিক্ষোভ আয়োজক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮ হাজার (বিক্ষোভকারী), ৮ হাজার (ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভকারী), ১০০ জন (ডানপন্থী দল), ২ জন (গ্রেপ্তার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!