📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামে ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর অসামান্য ফজিলত ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ

ইসলামে ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর অসামান্য ফজিলত ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামে ক্ষুধার্তদের খাবার খাওয়ানো একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও সওয়াবের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষকে খাবার খাওয়ানো ইসলামের সর্বোত্তম কাজ। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে খাদ্যদান করা সঠিক, কিন্তু লোকদেখানো বা প্রতিদানের আশায় করা নিষিদ্ধ। ক্ষুধার্তদের পাশে দাঁড়ানো সামান্য সামর্থ্য ও আন্তরিকতা দিয়ে সম্ভব

ইসলামে মানবকল্যাণে অবদান রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে ক্ষুধার্তদের খাবার খাওয়ানো এমন একটি কাজ, যা আল্লাহর নিকট অসামান্য সওয়াবের অধিকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলে বলেছিলেন, ‘ইসলামের সবচেয়ে উত্তম কাজ হলো মানুষদের খাবার খাওয়ানো এবং পরিচিত-অপরিচিতদের সালাম দেওয়া’। (সহিহ বুখারি: ১২)। এছাড়াও অন্য একটি হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যিনি মানুষকে খাবার খাওয়ায়’। (মুসনাদে আহমাদ: ২৩৯৭১)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইসলামের সর্বোত্তম কাজ হলো মানুষকে খাবার খাওয়ানো এবং সালাম দেওয়া (সহিহ বুখারি: ১২)।
  • 📌 আল্লাহর সন্তুষ্টিই খাদ্যদানের মূল উদ্দেশ্য হতে হবে; লোকদেখানো বা প্রতিদানের আশায় করা নিষিদ্ধ (সুরা দাহর: ৯)।
  • 📌 ক্ষুধার্তের পাশে দাঁড়ানোতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন নেই; সামান্য খাবার দিয়ে হলেও সওয়াবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় (সুরা বালাদ: ১৪-১৬)।
  • 📌 খোঁটা দেওয়া বা অপমান করা খাদ্যদানের সাথে নিষিদ্ধ; আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের দান-সদকা নষ্ট করো না’ (সুরা বাকারা: ২৬৪)।
  • 📌 দুনিয়ার ধন-সম্পদ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করা অর্থ আখিরাতে সঞ্চিত থাকে।

📰 বিস্তারিত

ইসলামে মানুষের কল্যাণে অবদান রাখা একটি মূল্যবান কাজ। বিশেষ করে ক্ষুধার্তদের খাবার খাওয়ানো এমন একটি কাজ, যা আল্লাহর নিকট অসামান্য সওয়াবের অধিকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলে বলেছিলেন, ‘ইসলামের সবচেয়ে উত্তম কাজ হলো মানুষদের খাবার খাওয়ানো এবং পরিচিত-অপরিচিতদের সালাম দেওয়া’। এভাবে মানুষের কল্যাণে অবদান রাখা ইসলামের মূল্যবান শিক্ষা।

আল্লাহর কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তারা বলে, কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমরা তোমাদের খাদ্য দান করি। আমরা তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান বা কৃতজ্ঞতা কামনা করি না’ (সুরা দাহর: ৯)। এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, খাদ্যদানের মূল উদ্দেশ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। লোকদেখানো বা প্রতিদানের আশায় করা নিষিদ্ধ।

ক্ষুধার্তের পাশে দাঁড়ানোতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন নেই। সামান্য খাবার দিয়ে হলেও একজন মানুষের কষ্ট লাঘব করা বিপুল সওয়াবের মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অথবা ক্ষুধার দিনে খাদ্য দান করা—এতিম আত্মীয়কে কিংবা ধূলিধূসরিত অভাবগ্রস্তকে’ (সুরা বালাদ: ১৪-১৬)। এভাবে ক্ষুধার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানুষের জীবনকে সুন্দর করে তোলে এবং আল্লাহর নিকট সওয়াবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা খোঁটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-সদকা নষ্ট করো না, যেভাবে লোকদেখানো দানকারী নিজের সম্পদ ব্যয় করে’ (সুরা বাকারা: ২৬৪)। এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, খাদ্যদানের সাথে খোঁটা দেওয়া বা অপমান করা নিষিদ্ধ।

‘তোমরা পৃথিবীবাসীদের প্রতি দয়া করো, আসমানের অধিবাসী আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়া করবেন’ (জামে তিরমিজি: ১৯২৪)

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামের শিক্ষা ও হাদিসের আলোকে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), মুমিনগণ, ব্যক্তি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সহিহ বুখারি (১২), মুসনাদে আহমাদ (২৩৯৭১), সুরা দাহর (৯), সুরা বাকারা (২৬৪), সুরা বালাদ (১৪-১৬), জামে তিরমিজি (১৯২৪)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖