📌 সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোলান মালভূমির জবরদখলকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে দস্যুতা হিসেবে নিন্দা করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা ও অন্যান্য আগ্রাসনকে বিশ্বাসঘাতকতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোলান মালভূমির জবরদখলকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে দস্যুতা হিসেবে নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, যেকোনো ভূখণ্ডের জবরদখলই দস্যুতা। ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি ইসরায়েলকে গোলান মালভূমি প্রদানের বিষয়টি নিয়ে একটি উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, হোয়াইট হাউস সফরকালে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছিলেন, ‘ইসরায়েলকে জমি দিতে আপনার এত আগ্রহ থাকলে, তাহলে আপনি তাদের নিউজার্সি দিতে পারতেন না কেন?’ তবে তিনি এটিকে রসিকতাচ্ছলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোলান মালভূমির মালিকানা: সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছেন, গোলান মালভূমির মালিকানা সেখানকার জনগণের, সিরিয়ার কোনো প্রেসিডেন্ট বা মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়।
- 📌 আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: তিনি দাবি করেছেন, যেকোনো ভূখণ্ডের জবরদখলই দস্যুতা, যা আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে।
- 📌 গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা: ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, যা ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- 📌 বিশ্বাসঘাতকতার উদাহরণ: ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টাকে বিশ্বাসঘাতকতা ও আত্মপরিচয় বিসর্জনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 পূর্ববর্তী দখলদারত্বের ঘটনা: ১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের জর্ডান নদীর পশ্চিম তীর ও গাজা দখলকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে বড় দখলদারত্বের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোলান মালভূমির জবরদখলকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে দস্যুতা হিসেবে নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গোলান মালভূমির মালিকানা সেখানকার জনগণের, সিরিয়ার কোনো প্রেসিডেন্ট বা মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি ইসরায়েলকে গোলান মালভূমি প্রদানের বিষয়টি নিয়ে একটি উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘নিউজার্সির মালিকানা হয়তো ট্রাম্পের থাকতে পারে, কিন্তু গোলান মালভূমির মালিকানা তাঁর নেই।’
সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের মন্তব্য বিশ্বপরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেছেন যে, গোলান মালভূমির মালিকানা সেখানকার জনগণের। তিনি বলেছেন, ‘কৌতুক যা-ই হোক না কেন, গোলান মালভূমি কেবল সেখানকার জনগণের। সিরিয়ার কোনো প্রেসিডেন্ট বা আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্টের এই ভূখণ্ড অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।’
সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের মন্তব্য শুধু গোলান মালভূমির ওপর তার জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্যই নয়, পৃথিবীর যেকোনো রাষ্ট্রের যেকোনো ভূমির ওপর অন্যের অবৈধ দখলদারত্ব প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টাকে বিশ্বাসঘাতকতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। ট্রাম্প প্রথমেই গ্রিনল্যান্ড দখল করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, যা ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
"নিউজার্সির মালিকানা হয়তো ট্রাম্পের থাকতে পারে, কিন্তু গোলান মালভূমির মালিকানা তাঁর নেই। কৌতুক যা-ই হোক না কেন, গোলান মালভূমি কেবল সেখানকার জনগণের। সিরিয়ার কোনো প্রেসিডেন্ট বা আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্টের এই ভূখণ্ড অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোলান মালভূমি, গ্রিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর, ১২ দেশ (ন্যাটো), ১৯৬৭ (ইসরায়েলের দখলদারত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!