📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিলফুল ফুজুলের জন্মস্থান: নবীজির ঘনিষ্ঠদের অঙ্গীকারের ঐতিহাসিক ঘর ইবনে জাদআনের বাড়ি

হিলফুল ফুজুলের জন্মস্থান: নবীজির ঘনিষ্ঠদের অঙ্গীকারের ঐতিহাসিক ঘর ইবনে জাদআনের বাড়ি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইবনে জাদআনের ঘর ছিলো মক্কায় একটি ঐতিহাসিক স্থান যেখানে ‘হিলফুল ফুজুল’ চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই ঘরটি আবদুল্লাহ ইবনে জাদআনের মালিকানায় ছিলো এবং পরবর্তীতে মসজিদুল হারামের প্রসারিত চত্বরে অন্তর্ভুক্ত হয়। নবী মুহাম্মাদ (সা.) এই ঘরে উপস্থিত ছিলেন এবং ঐতিহাসিক অঙ্গীকারের সাক্ষী ছিলেন

মক্কার ঐতিহাসিক স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘ইবনে জাদআনের ঘর’ ছিলো ‘হিলফুল ফুজুল’ চুক্তির জন্মস্থান। এই ঘরটি ছিলো কোরাইশ গোত্রের নেতা আবদুল্লাহ ইবনে জাদআনের মালিকানায়, যিনি অতিথি আপ্যায়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। নবী মুহাম্মাদ (সা.) এই ঘরে উপস্থিত ছিলেন এবং ঐতিহাসিক অঙ্গীকারের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘হিলফুল ফুজুল’ চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো মক্কার ইবনে জাদআনের ঘরে, যেখানে নবী মুহাম্মাদ (সা.) উপস্থিত ছিলেন এবং চুক্তির বিপক্ষে পুরস্কার হিসেবে লাল উটের কথাও উল্লেখ করেছিলেন।
  • 📌 আবদুল্লাহ ইবনে জাদআন ছিলেন কোরাইশ গোত্রের নেতা এবং কায়েস আইলানের বিরুদ্ধে ‘ফিজার যুদ্ধে’ বনু কিনানার একক নেতা। তিনি দরিদ্র জীবন থেকে সম্পদ অর্জন করেছিলেন বলে ইতিহাসে উল্লেখ আছে।
  • 📌 ইবনে জাদআনের ঘর পরবর্তীতে মসজিদুল হারামের প্রসারিত চত্বরে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং খলিফা আল-মাহদি এর সময় চত্বরে পরিণত হয়।
  • 📌 আবু বকর (রা.) ইবনে জাদআনের ঘরের আত্মীয় ছিলেন এবং মক্কার ইতিহাসে এই ঘরের মালিকানা বদলের বিবরণ পাওয়া যায়।

📰 বিস্তারিত

ইবনে জাদআনের ঘর মক্কার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই ঘরে ‘হিলফুল ফুজুল’ চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো, যেখানে নবী মুহাম্মাদ (সা.) উপস্থিত ছিলেন। হাদিসে উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আবদুল্লাহ ইবনে জাদআনের ঘরে একটি অঙ্গীকারনামায় উপস্থিত ছিলাম; এ চুক্তির বিপক্ষে আমাকে যদি লাল বর্ণের উটও কেউ পুরস্কার প্রদান করত, তবু আমি তা পছন্দ করতাম না; যদি ইসলামের মাঝেও এমনটিতে আমাকে আহ্বান করা হয়, তাতে আমি অবশ্যই সাড়া দেব।’

আবদুল্লাহ ইবনে জাদআন ছিলেন কোরাইশ গোত্রের একজন নেতা। তিনি দরিদ্র জীবন থেকে সম্পদ অর্জন করেছিলেন বলে ইতিহাসে উল্লেখ আছে। সিরিয়া অভিমুখে বাণিজ্য কাফেলা পরিচালনা এবং মক্কার পাহাড়ের গুহায় জুরহুমের পরিত্যক্ত সম্পদের সন্ধান পাওয়ার গল্পও প্রচলিত। তিনি অতিথি আপ্যায়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন এবং কায়েস আইলানের বিরুদ্ধে ‘ফিজার যুদ্ধে’ বনু কিনানার একক নেতা ছিলেন।

মক্কার ইতিহাস গবেষক আল-ফাকিহি তার ‘আখবারু মক্কা’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে জাদআনের ঘর পরবর্তীতে আবু বকরের বাড়ির পাশে ছিলো। আবু বকর (রা.) ইবনে জাদআনের ঘরের আত্মীয় ছিলেন। খলিফা আল-মাহদি মসজিদুল হারামের প্রসারিত চত্বরে এই ঘর অন্তর্ভুক্ত করেন এবং আজও সেই চত্বরের অবশিষ্টাংশ দেখা যায়।

"আমি আবদুল্লাহ ইবনে জাদআনের ঘরে একটি অঙ্গীকারনামায় উপস্থিত ছিলাম; এ চুক্তির বিপক্ষে আমাকে যদি লাল বর্ণের উটও কেউ পুরস্কার প্রদান করত, তবু আমি তা পছন্দ করতাম না; যদি ইসলামের মাঝেও এমনটিতে আমাকে আহ্বান করা হয়, তাতে আমি অবশ্যই সাড়া দেব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মক্কা, সাওর গুহা, মসজিদুল হারামের প্রসারিত চত্বরে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ ইবনে জাদআন, নবী মুহাম্মাদ (সা.), আবু বকর (রা.), তালহা ইবনে আবদিল্লাহ ইবনে আউফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর বয়সকালীন (হিলফুল ফুজুলের ঘটনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖