📌 ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য জশনে জুলুসে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর আদর্শ ও শান্তির বার্তা নিয়ে শোভাযাত্রা শেষে আন্তর্জাতিক শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০২৬: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অংশগ্রহণে সাদা পোশাক ও টুপি পরিহিত মানুষের উপস্থিতিতে রাজধানীর রাজপথ মুখরিত হয়ে ওঠে ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবমুখর পরিবেশে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু হওয়া জশনে জুলুসে অংশ নেন লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান
- 📌 শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমাখচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও জাতীয় পতাকা
- 📌 শোভাযাত্রাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হয়ে দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উদ্যানে ফিরে আসে
- 📌 শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ
- 📌 মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান বক্তারা
📰 বিস্তারিত
বুধবার ভোরের আলো ফোটার আগ থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সুফিবাদী জনতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো উদ্যান পরিণত হয় মানুষের মিলনমেলায়। নারী, পুরুষ ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অংশগ্রহণকারীদের গায়ে ছিল সাদা টি-শার্ট, মাথায় সাদা ক্যাপ। শোভাযাত্রার অগ্রভাগে থাকা বিশাল ব্যানারে লেখা ছিল ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ ও ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’।
শোভাযাত্রাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হয়ে দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উদ্যানে ফিরে আসে। পুরো পথজুড়ে মুখরিত হতে থাকে ‘নারায়ে তাকবীর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত’সহ নানা ধর্মীয় স্লোগান। শান্তি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। তার শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (দ.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মহানবী (দ.)-এর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করা জরুরি। মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা সৈয়দ মেহেবুবে মইনুদ্দীন, মইনীয়া যুব ফোরামের সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক মইনুদ্দী, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এমিরেটস ডক্টর আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর আখতারুজ্জামান প্রমুখ।
"মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। তার শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। রাসুলুল্লাহ (দ.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে মহানবী (দ.)-এর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (রবিউল আউয়াল), ২৬ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!