📌 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ইতালিতে প্রতিবছর ১০ হাজার শ্রমিক বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ইতালিতে প্রতিবছর ১০ হাজার শ্রমিক বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার। তিনি আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইতালিতে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, পরিবারসহ ১২ হাজার।
- 📌 শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অবৈধ অভিবাসী ইতালিতে।
- 📌 শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে অবৈধ অভিবাসন রোধে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হবে।
- 📌 মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতালিতে অবস্থানরত আড়াই লাখ বাংলাদেশির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে যারা আছে, তাদের বৈধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। মালয়েশিয়ার শ্রমিক নেওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও ফুড সিকিউরিটিতে কাজ করা ইতালির মিলান শহরের মডেলে দেশটি বাংলাদেশেও কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ইতালির সঙ্গে মিল রেখে এ ক্ষেত্রে খুলনা সিটি করপোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
"আমরা বাণিজ্য, অভিবাসন, দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (টুইনশিপ) নিয়ে আলোচনা করেছি। যদিও এটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল, তার পরেও ইতালি ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।" — রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম, আন্তনিও আলেসান্দ্রো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার, ১২ হাজার, ৬০-৭০ শতাংশ, ২ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!