📌 কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হবিগঞ্জের প্রবাসী জিয়াউর রহমান জিয়ার মরদেহ ১২ দিন পর দেশে পৌঁছেছে। মৃত্যুর পর পরিবার ১২ দিন অপেক্ষা করে মরদেহের জন্য।
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ভুগলী গ্রামের প্রবাসী জিয়াউর রহমান জিয়া কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করলেও তাঁর মরদেহ ১২ দিন পর দেশে ফিরে আসে। রোববার সকালে ফ্রিজিং গাড়িতে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে গ্রামের পরিবেশ শোকের মায়ায় ভরে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জিয়াউর রহমান জিয়া কুয়েতে ১২ অক্টোবর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন, মরদেহ ১২ দিন পর দেশে পৌঁছায়
- 📌 মরদেহ রোববার সকালে ফ্রিজিং গাড়িতে ভুগলী গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়, পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে
- 📌 জিয়াউর রহমান জিয়া মা-বাবা, স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন
- 📌 জিয়াউর রহমান জিয়া মো. আজিজুর রহমানের ছেলে, জীবিকার তাগিদে এক যুগের বেশি সময় ধরে কুয়েতে ছিলেন
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের ভুগলী গ্রামের জিয়াউর রহমান জিয়ার মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামবাসীরা গভীর শোকে ডুবে পড়েছেন। ১২ অক্টোবর কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর থেকে তাঁর মরদেহের অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। আজ রোববার সকালে ফ্রিজিং গাড়িতে তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে পরিবেশ শোকের মায়ায় ভরে যায়।
জিয়াউর রহমান জিয়ার বড় ভাই সাজিদুর রহমান জানান, বাড়িতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জিয়াউর রহমান জিয়া মা-বাবা, স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। তিনি জীবিকার তাগিদে এক যুগের বেশি সময় ধরে কুয়েতে ছিলেন।
মরদেহ বাড়ির আঙিনায় পৌঁছানোর পর স্বজন, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। জিয়াউর রহমান জিয়া মো. আজিজুর রহমানের ছেলে ছিলেন।
"বাদ আসর ভুগলী গ্রামে নিজ বাড়িতে জিয়াউর রহমান জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভুগলী গ্রাম, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা, মিরপুর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান জিয়া, সাজিদুর রহমান, মো. আজিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ দিন (মরদেহ দেশে পৌঁছানোর সময়), ১২ অক্টোবর (মৃত্যু তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!