📌 চট্টগ্রামের কালুরঘাটে অবস্থিত 'জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স' পুনরুজ্জীবিত হবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, কমপ্লেক্সের ভাঙচুর ও অবহেলার পর এটি নতুন আঙ্গিকে সাজানো হবে। মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করতে
চট্টগ্রামের কালুরঘাটে অবস্থিত 'জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স' পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) 'পরিচ্ছন্ন করি নগর গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম' স্লোগান নিয়ে পরিচালিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণের সময় এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সাথে জড়িত ঐতিহাসিক স্থানটি যাতে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সুন্দর ও নিরাপদ বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ঘোষণা দেন, 'জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স' নতুন আঙ্গিকে সাজানো হবে।
- 📌 ৫ আগস্টের পর ভাঙচুর ও অবহেলায় পড়া কমপ্লেক্সের পুনরুজ্জীবনের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে।
- 📌 ১৬ দশমিক ৩৮ একর জায়গায় নির্মিত 'মিনি বাংলাদেশ'-এর নাম ১২ আগস্ট পুনরায় 'জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স' করা হয়েছে।
- 📌 কমপ্লেক্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া ঐতিহাসিক স্থানটি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে।
📰 বিস্তারিত
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, 'আমাদের মানুষের জন্য সুস্থ পরিবেশে বিনোদনের জায়গাগুলো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এখানে যেসব স্থাপনা আছে, ইতিহাস ভালোবাসেন ও দেশের সংস্কৃতিকে ধারণ করে এমন কেউ এখানে এলে বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা পাবে।' তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাটে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, '৫ অগাস্টের পর কমপ্লেক্সটি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং সেখানে অনেক স্থাপনা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই কমপ্লেক্সকে আরো সুন্দরভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষ এখানে আসতে চায়, দেখতে চায়।' তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং পুরো জায়গাটি পরিষ্কার করা হবে।
২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করা 'জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স' পরে নাম পাল্টে হয় 'স্বাধীনতা কমপ্লেক্স'। এখানে জাতীয় সংসদ ভবন, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, কার্জন হল, ছোট সোনা মসজিদ, কান্তজিউ মন্দির, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রতিরূপ নির্মিত ছিল। এই কমপ্লেক্সটি 'মিনি বাংলাদেশ' নামে পরিচিত ছিল।
"আমরা সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। তাই এই জায়গাটি আজ পরিচ্ছন্ন করতে এখানে সমবেত হয়েছি। সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদ বিনোদনের জায়গা এখানে এসে পায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ দশমিক ৩৮ একর জমি, ৫ সেপ্টেম্বর, ৫ আগস্ট, ১২ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!