📌 দালালের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়া ৯ বাংলাদেশি ১৬ মাস কারাবাসের পর দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে ৩ নারী, ২ শিশু ও ৪ পুরুষ রয়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে
দালালের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়া ৯ বাংলাদেশি ১৬ মাস কারাবাসের পর দেশে ফিরেছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের হস্তান্তর করে। এই ৯ জনের মধ্যে ৩ জন নারী, ২ জন শিশু ও ৪ জন পুরুষ রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কুলশুর গ্রামের শহীদ মল্লিকের মেয়ে মুক্তা খানম ওরফে মুক্তা, একই জেলার নড়াগাতী থানার খাদিজা ও আয়েশা, এবং বরিশালের উজিরপুর উপজেলার তাপস মন্ডলসহ আরও ৬ জন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ মাস কারাবাস শেষে ফিরল ৯ বাংলাদেশি: তাদের মধ্যে ৩ নারী, ২ শিশু ও ৪ পুরুষ
- 📌 বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের হস্তান্তর করে
- 📌 দালালের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্যতম: মুক্তা খানম, খাদিজা, আয়েশা, জাহানারা বেগম, তাপস মন্ডল, আশিক মোল্লা ওরফে আশাক মোল্লা, তন্ময় সরকার ও রামকৃষ্ণ বাছার
- 📌 কলকাতার দমদম সেল্টার হোমে রাখা হয়েছিল তাদের ১৬ মাস কারাবাস শেষে
- 📌 বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বেনাপোল চেকপোস্টে শনিবার রাত ৮ টায় ভারতের হরিদাসপুর ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে হস্তান্তর করে। এই হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় দুই দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিজিবি, বিএসএফ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ফেরত আসা ৯ জনের মধ্যে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার কুলশুর গ্রামের শহীদ মল্লিকের মেয়ে মুক্তা খানম ওরফে মুক্তা, একই জেলার নড়াগাতী থানার মূলখানা গ্রামের ইমরান শিকদারের মেয়ে খাদিজা ও আয়েশা, কালিয়া উপজেলার কুলশুর গ্রামের সৈয়দ মল্লিকের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও মেয়ে রুকসানা, বরিশালের উজিরপুর উপজেলার তাপস মন্ডল, রাজবাড়ী সদর উপজেলার আশিক মোল্লা ওরফে আশাক মোল্লা, খুলনার কয়রা উপজেলার তন্ময় সরকার এবং পাইকগাছা উপজেলার রামকৃষ্ণ বাছার রয়েছেন।
কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) ওমর ফারুক আকান্দের সই করা ভ্রমণ পরোয়ানার ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হস্তান্তরপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা থেকে গত ২৪ আগস্ট ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিট এবং ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও), হায়দ্রাবাদ থেকে ইস্যু করা এক্সিট পারমিটের ভিত্তিতে তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে তারা ভারতে যান। পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। দীর্ঘ ১৬ মাস সাজাভোগ শেষে তাদের কলকাতার দমদম সেল্টার হোমে রাখা হয়েছিল। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুর রহমান বলেছেন, প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে তাদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেছেন, থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেসরকারি সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ও রাইটস যশোরের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় তাদের পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে আটক হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সাজাভোগ শেষে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
"দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে আটক হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সাজাভোগ শেষে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, পেট্রাপোল-বেনাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুক্তা খানম, খাদিজা, আয়েশা, জাহানারা বেগম, তাপস মন্ডল, আশিক মোল্লা ওরফে আশাক মোল্লা, তন্ময় সরকার, রামকৃষ্ণ বাছার, ওমর ফারুক আকান্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন বাংলাদেশি, ১৬ মাস কারাবাস, ৩ নারী, ২ শিশু, ৪ পুরুষ, ২৪ আগস্ট ট্রাভেল পারমিট ইস্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!