📌 সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেন
ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০২৬: সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। এসব অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রকে নির্মূল করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন
- 📌 সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের হামলায় গুরুতর আহত অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে ঢামেক হাসপাতালে যান মন্ত্রীদ্বয়
- 📌 গত ১৭ আগস্ট রাতে সংঘটিত হামলায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
- 📌 দেশের ৫০০টি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
📰 বিস্তারিত
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের নির্মূল করা হবে। মন্ত্রী জানান, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
গত ১৭ আগস্ট রাতে অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান শান্তিনগরে তার চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র তার ওপর হামলা চালায় এবং গুরুতর আহত করে। ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উক্ত সংঘবদ্ধ চক্রের সাত সদস্যের মধ্যে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে ঘটনাস্থল থেকে, একজনকে লক্ষ্মীপুর থেকে, একজনকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দনিয়া থেকে এবং অপরজনকে সাঁতারকুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মন্ত্রী পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চক্রটির মূল হোতা বিদেশে থাকাকালীন হুন্ডি ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দেশে ফিরে অপরাধমূলক চক্র গড়ে তোলে। বড় বড় হাসপাতাল, খ্যাতিমান চিকিৎসক ও ধনাঢ্য পেশাজীবীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক হামলা চালিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করাই ছিল এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের এ ধরনের কোনো অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না এবং চাঁদাবাজি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
‘সারাদেশে বিশেষ করে ঢাকা মেট্রোপলিটনসহ অন্যান্য মেট্রো এলাকায় যারা এরকম চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতিশীঘ্র যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেফাজতে না নিতে পারে, আইনের আওতায় আনতে না পারে, তাহলে যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ৫০০টি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। কোনো চিকিৎসক নিজস্ব চেম্বার ও ক্লিনিকে বিশেষ নিরাপত্তা ঝুঁকি বোধ করলে পুলিশকে অবহিত করার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরও জানান, দেশের যেকোনো নাগরিক বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শর্ত পূরণ সাপেক্ষে শর্ট গান বা পিস্তলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী), অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ ঘণ্টা, ৫০০টি হাসপাতাল, ১০ জন আনসার সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!