📌 নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়। লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে তরুণদের অংশগ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়
নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নতুন অডিটোরিয়াম-২-এ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় ‘শিশুদের শৈশবকে সুরক্ষিত রাখুন’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার নারী ও শিশুরা প্রতিনিয়ত যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্তকরণের শিকার হচ্ছেন
- 📌 রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে অশোভন স্পর্শের শিকার হচ্ছেন নারী ও শিশুরা
- 📌 ২৪ আগস্ট পালিত হয় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ দিবস, যা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডকে স্মরণ করে
- 📌 মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মোট ৬২ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
📰 বিস্তারিত
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাজমুন নাহার রোজী বলেন, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার নারী ও শিশুরা প্রতিনিয়ত ঘরে ও বাইরে চলার পথে যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্তকরণের ঘটনার শিকার হচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় নারী ও শিশুরা অনেক সময় ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে অশোভন স্পর্শের শিকার হন। এই ঘটনাগুলোর প্রতিরোধ ও প্রতিকারে ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বন এবং প্রতিবাদে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা বলেন, ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের দশমাইল এলাকায় কিশোরী ইয়াসমিনকে পুলিশ সদস্যরা দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা করেন। ওই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সারা দেশে সামাজিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। তিনি জানান, শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ লিঙ্গবৈষম্য। কন্যাশিশুরা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লিঙ্গবৈষম্যের শিকার হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সভা সভাপতি ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদা রেহানা বেগম বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে উত্ত্যক্তকরণ ও যৌন নিপীড়ন ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি লিঙ্গ–অসমতা দূর করে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের উপর জোর দেন। তিনি জানান, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করার শুভ সূচনা হয়েছে।
"শিশুদের যৌন নির্যাতন থেকে রক্ষা করুন—এই আহ্বান জানিয়ে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেতা, কর্মকর্তাসহ মোট ৬২ জন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. নাজমুন নাহার রোজী, রেখা সাহা, মাসুদা রেহানা বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২ জন উপস্থিতি, ২৪ আগস্ট দিবস পালন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!