📌 পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজের দেড় বছরের ছেলেকে প্রায় এক লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মারুফ মুন্সির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুসারে, আইফোন কেনার টাকা জোগাড় করতে তিনি এই কাজ করেন। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে
পটুয়াখালীর দশমিনা থানার পুলিশ মারুফ মুন্সি (২২) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের দেড় বছরের ছেলেকে প্রায় এক লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন আইফোন কেনার টাকা জোগাড় করতে। পুলিশ শিশুটিকেও উদ্ধার করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মারুফ মুন্সি (২২) নামে এক তরুণকে পটুয়াখালীর দশমিনা থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ অনুসারে, তিনি নিজের দেড় বছরের ছেলেকে প্রায় এক লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন।
- 📌 আইফোন কেনার টাকা জোগাড় করার জন্যই তিনি এই কাজ করেছিলেন বলে পরিবারের অভিযোগ।
- 📌 দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
- 📌 শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মারুফ মুন্সিকে গত রোববার রাত ১১টার দিকে ঢাকা থেকে দশমিনা থানায় নিয়ে আসা হয়। তিনি দশমিনা উপজেলার বড় গোপালদী গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।
পরিবারের অভিযোগ অনুসারে, মারুফ মুন্সির স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারের সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন। এরপর শিশুটিকে তার দাদি মাহফুজা বেগম দেখাশোনা করছিলেন। গত শনিবার সকালে মারুফ শিশুটিকে ভালো জামাকাপড় পরিয়ে ঘুরতে নিয়ে যান। সন্ধ্যা হওয়ার পরও তিনি বাড়িতে ফেরেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, ঢাকায় মারুফের সহকর্মী ইমরান হোসেনের শ্বশুর মহিবুল টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে নিয়েছেন। মহিবুলের কোনো ছেলেসন্তান নেই। পরিবারের দাবি, শিশুটির দাম এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫২ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে লিখিতভাবে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হয়।
মাহফুজা বেগমের অভিযোগ, ওই টাকা ও নিজের পুরোনো আইফোনের সঙ্গে অতিরিক্ত টাকা যোগ করে মারুফ নতুন আইফোন কিনেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে পুলিশকে জানানো হয়।
"মারুফ মুন্সি স্থানীয়ভাবে ধারদেনা করেছিলেন। এ কারণে সহকর্মী ইমরান ও তাঁর শ্বশুরের কাছে সন্তানকে লালন-পালনের জন্য দিয়েছেন। এ জন্য তাঁদের কাছ থেকে ৫২ হাজার টাকা নিয়েছেন।"
এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ না থাকায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানান ওসি আতিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসন এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দশমিনা, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারুফ মুন্সি (২২), মাহফুজা বেগম, আতিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!