📌 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার হাজতখানায় থাকা ১০ আসামির কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ঘটনার তদন্তে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার হাজতখানায় থাকা ১০ আসামির কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পক্ষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফতুল্লা মডেল থানার হাজতখানায় থাকা ১০ আসামির কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ
- 📌 ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার: এসআই মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেন
- 📌 ভিডিওতে এক তরুণের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার দৃশ্য ধারণ
- 📌 গত শনিবার রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল প্রস্তুতির সময় ১০ জনকে গ্রেপ্তার
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল প্রস্তুতির সময় গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে ঢাকামুখী প্রধান সড়ক থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জন প্রাপ্তবয়স্ক ও চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ফেরদৌস (১৮), আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০) ও নয়ন (১৮)। সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া ও ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক এলাকায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে মিছিল প্রস্তুতির সময় ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকদের ফোন করে আটকের বিষয়টি জানানোর কথা থাকলেও ঘটনার পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, থানার হাজতখানায় থাকা অবস্থায় এসআই মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে আসামিদের মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিলেন। এরপর তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং তা ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
"থানার হাজতখানায় থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আসামিদের মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কোনো এক ফাঁকে তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।"
গতকাল রোববার আদালতে হাজির করা হলে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফতুল্লা মডেল থানার হাজতখানা, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসআই মনিরুল ইসলাম, কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেন, আবরার আহম্মেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আসামি, ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!