📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইন্দো-প্যাসিফিকে সামরিক সহযোগিতা জোরদারে ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়া শুরু

ইন্দো-প্যাসিফিকে সামরিক সহযোগিতা জোরদারে ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়া শুরু

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। প্রায় ৪ হাজার ৭০০ সেনাসদস্য অংশগ্রহণ করছে। মহড়া চলবে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০২৬ : ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক ডজনের বেশি মিত্র দেশের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া সোমবার শুরু হয়েছে। মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো অঞ্চলটিতে ‘আগ্রাসন প্রতিহত করা’ এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু
  • 📌 মহড়ায় অংশ নিচ্ছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপানসহ প্রায় ৪ হাজার ৭০০ সেনাসদস্য
  • 📌 মহড়া চলবে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্থানে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার প্যাট্রিক জে. এলিস মহড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন
  • 📌 ইন্দোনেশিয়া ও চীন চলতি বছরের শেষ দিকে ‘হেপিং গারুদা’ নামে যৌথ সামরিক মহড়া আয়োজন করবে

📰 বিস্তারিত

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ‘আগ্রাসন প্রতিহত করার’ লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একাধিক মিত্র দেশের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবর অনুযায়ী, মহড়ায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪ হাজার ৭০০ সেনাসদস্য অংশ নিচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে বলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার প্যাট্রিক জে. এলিস মহড়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ‘এই মহড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিরাপদ রাখার জন্য মানবিক ও সামরিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এলিস আরও উল্লেখ করেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল। কোনো সংকট শুরু হওয়ার পর হঠাৎ করে প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব নয়।’

মহড়ায় বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের শত্রুপক্ষের এলাকায় প্রবেশের প্রশিক্ষণ এবং সাইবার প্রতিরক্ষা মহড়াও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানান এলিস। তিনি বলেন, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এপ্রিল মাসে ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে ‘বৃহৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অংশীদারিত্ব’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে। চলতি মাসে চীনের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া সফর করেন এবং রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হন। চলতি বছরের শেষ দিকে ইন্দোনেশিয়া ও চীন ‘হেপিং গারুদা’ নামে নিজেদের একটি যৌথ সামরিক মহড়া আয়োজন করবে।

“এই মহড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক ও সামরিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” — প্যাট্রিক জে. এলিস, কমান্ডার, যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ পদাতিক ডিভিশন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়া (সুমাত্রা, বোর্নিও)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্যাট্রিক জে. এলিস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৭০০ সেনাসদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖