📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী রেজাউল করিম ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে নিজস্ব নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। আসামিপক্ষের হুমকি ও প্রভাবের অভিযোগ তুলে তিনি সর্বোচ্চ আইনি সুরক্ষা দাবি করেছেন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে নিজস্ব নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার একজন তালিকাভুক্ত সাক্ষী। সোমবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর চিঠি প্রদান করেন জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি রেজাউল করিম। পরবর্তীতে তিনি নিজ উদ্যোগে বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণহত্যা মামলার সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত রেজাউল করিম নিজস্ব নিরাপত্তা চেয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে আবেদন করেছেন
- 📌 অভিযোগ তোলা হয়েছে, আসামিপক্ষ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করছে এবং সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে
- 📌 বিদেশ থেকে সাক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রেজাউল করিম
- 📌 চিঠিতে পাঁচজন হুমকিদাতার নাম উল্লেখ করে তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 মামলার প্রাথমিক তালিকা থেকে একজন আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে অনৈতিক লবিংয়ের কারণে
📰 বিস্তারিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যরা। এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত রেজাউল করিম অভিযোগ করেছেন, আসামিপক্ষ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করতে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। তিনি বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হচ্ছে এবং সাক্ষীরা জবানবন্দি প্রদানে বিরত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশ থেকে সাক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেজাউল করিম জানান, তিনি নিজেও একাধিকবার মৃত্যুঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন। চিঠিতে পাঁচজন হুমকিদাতার নাম উল্লেখ করে তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ও অন্যান্য সাক্ষী ও সংশ্লিষ্ট ছাত্রনেতাদের সর্বোচ্চ আইনি নিরাপত্তা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মামলার প্রাথমিক তালিকা থেকে একজন আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রেজাউল করিম। তিনি দাবি করেন, আসামিপক্ষের অনৈতিক লবিংয়ের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিজওয়ানা ইউসুফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
"আসামিপক্ষের হীন উদ্দেশ্যে মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হচ্ছে এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি প্রদানে বিরত রাখার চেষ্টা চলছে। বিদেশ থেকে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে আইনি সুরক্ষা চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল করিম (জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স নেতা)
- 👥 আসামি: এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচজন হুমকিদাতার নাম উল্লেখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!