📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কন্যাসন্তান জন্মের কারণে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কন্যাসন্তান জন্মের কারণে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁয় কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রী হালিমা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী শামীম সরদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার রায় দিয়েছেন আদালত। ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মহাদেবপুর উপজেলায়

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলায় কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রী হালিমা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী শামীম সরদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্বামী শামীম সরদারকে স্ত্রী হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 আদালতের রায় অনুযায়ী আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 বিচারক ছিলেন মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, যিনি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর দায়িত্ব পালন করছেন
  • 📌 ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর মহাদেবপুর উপজেলার কিশোরীপুর এলাকায়
  • 📌 নিহত হালিমা খাতুন ছিলেন গৃহবধূ, যিনি কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্বামীর অবহেলার শিকার হন

📰 বিস্তারিত

২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার দোহালী কোয়ালীপাড়া গ্রামে শামীম সরদারের সঙ্গে হালিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিবাহের পর তারা ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। বিবাহিত জীবনের শুরু থেকেই শামীম হালিমার কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়াকে মেনে নিতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানের প্রতি অবহেলা শুরু করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, শামীম প্রায়ই হালিমাকে দেখতে যেতেন, তবে তাদের মধ্যে সামান্য বিষয়ে ঝগড়া হতো।

২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর শামীম হালিমার পরিবারকে ফোন করে তাকে গ্রামের বাড়ি মহাদেবপুরে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। হালিমার পরিবার একা তাকে পাঠাতে রাজি না হওয়ায় ২৭ ডিসেম্বর সকালে শামীম নিজেই শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে সন্তানকে রেখে তিনি হালিমাকে নিয়ে মহাদেবপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মহাদেবপুরে পৌঁছানোর পর হালিমার পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে শামীম বিভিন্ন অজুহাত দেখান।

এর দুই দিন পর, অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর মহাদেবপুর সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের কিশোরীপুর এলাকার একটি ধানখেত থেকে হালিমার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার গলা কাটা ও মুখ ও পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। ঘটনার পর নিহতের পরিবারের সদস্যরা শামীমের খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারেন তিনি পলাতক।

"এই রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায় বিচার পেয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।"

এ ঘটনায় হালিমার বাবা বাদী হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. শাহরিয়ার, আর আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. এমরান হোসেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাদেবপুর উপজেলা, নওগাঁ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (নিহত), শামীম সরদার (আসামি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ৩ মাস কারাদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖