📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ছবি তুলতে গিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্মৃতি! বিজ্ঞান বলছে কেন এমন হয়

ছবি তুলতে গিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্মৃতি! বিজ্ঞান বলছে কেন এমন হয়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অতিরিক্ত ছবি তোলার অভ্যাস স্মৃতিকে গভীর করতে ব্যর্থ হয় বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মনস্তত্ত্ববিদ লিন্ডা হেঙ্কেলের গবেষণা অনুযায়ী, ক্যামেরা বা ফোনে ছবি তুললে মস্তিষ্ক ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না, ফলে স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা ৮০:২০ নিয়ম মানার পরামর্শ দিয়েছেন

ফোনের গ্যালারিতে জমা হওয়া হাজারো ছবির মধ্যে কয়টি ঘটনার স্মৃতি আপনার স্পষ্ট মনে আছে? বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ছবি তুললেও সেই মুহূর্তের অনুভূতি বা পরিবেশের গভীরতা মস্তিষ্কে স্থায়ী হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত ছবি তোলার ফলে স্মৃতি হারিয়ে যাওয়ার এই ঘটনাকে বলা হয় ‘ফটো-টেকিং ইমপেয়ারমেন্ট ইফেক্ট’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ফেয়ারফিল্ড ইউনিভার্সিটির মনস্তত্ত্ববিদ লিন্ডা হেঙ্কেলের গবেষণা অনুযায়ী, ছবি তুললে মস্তিষ্ক ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না এবং স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে
  • 📌 ক্যামেরা বা ফোনে ছবি তুললে মস্তিষ্ক ‘অফলোডিং মেমোরি’ নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজে থেকে স্মৃতি সংরক্ষণের প্রচেষ্টা বন্ধ করে দেয়
  • 📌 ছবি তোলার সময় মনোযোগের বিভাজনের কারণে আসল মুহূর্তের অনুভূতি হারিয়ে যায়
  • 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ মুহূর্তের প্রথম ৮০ শতাংশ সময় নিজ চোখে উপভোগ করলে স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী হয়; বাকি ২০ শতাংশ সময় ছবি তোলায় ব্যয় করা উচিত

📰 বিস্তারিত

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ফোন ক্যামেরা হয়ে উঠেছে মুহূর্ত ধরে রাখার প্রধান মাধ্যম। তবে বিজ্ঞান বলছে, এই অভ্যাসই ধীরে ধীরে মুছে দিচ্ছে আমাদের প্রকৃত স্মৃতিগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের ফেয়ারফিল্ড ইউনিভার্সিটির মনস্তত্ত্ববিদ লিন্ডা হেঙ্কেলের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। তাঁর মতে, মানুষ যখন কোনো ঘটনা সরাসরি দেখে, তখন মস্তিষ্ক সেই অভিজ্ঞতাকে গভীর স্মৃতিতে পরিণত করে। কিন্তু ছবি তুললে মস্তিষ্ক ধরে নেয় যে যন্ত্রটি তথ্য সংরক্ষণ করছে, ফলে নিজে থেকে স্মৃতি তৈরির প্রচেষ্টা বন্ধ হয়ে যায়।

এই প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘অফলোডিং মেমোরি’। এর ফলে ছবি তোলার সময় মনোযোগের বিভাজন ঘটে। ফ্রেম নির্ধারণ, আলো ঠিক করা বা অ্যাঙ্গেল খোঁজার পেছনে ব্যয় হওয়া সময়ের কারণে আসল মুহূর্তটির অনুভূতি হারিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, একটি ঘটনাকে পূর্ণাঙ্গ স্মৃতিতে পরিণত করতে পঞ্চইন্দ্রিয়ের ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু ছবি তোলার সময় মস্তিষ্ক শুধু দৃশ্যমান তথ্যের ওপর নির্ভর করে, ফলে পরিবেশের শব্দ, গন্ধ বা সামগ্রিক অনুভূতি স্মৃতিতে স্থায়ী হয় না।

স্মার্টফোনের যুগে ডিজিটাল স্টোরেজের সীমাহীন সুবিধা থাকায় মানুষ এখন প্রতিটি মুহূর্তের শত শত ছবি তুলছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব। ছবি তোলার সময় অনেকেই ভাবেন, অনলাইনে ছবিটি প্রকাশ করলে কেমন প্রতিক্রিয়া আসবে। ফলে মুহূর্তটি উপভোগের পরিবর্তে তা ইন্টারনেটের কনটেন্টে পরিণত হয়। বিশেষজ্ঞরা এই মানসিক চাপকে প্রকৃত অভিজ্ঞতা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে সব ছবি তোলাই যে ক্ষতিকর, তা নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো বিশেষ অংশ জুম করে বা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে ছবি তুললে তা স্মৃতিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। এছাড়া তোলা ছবিগুলো নিয়মিত দেখা এবং অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করলেও মস্তিষ্ক সেই স্মৃতিকে শক্তিশালী করে তোলে।

"ছবি তোলার সময় মস্তিষ্ক ধরে নেয়, যন্ত্রটি তথ্য সংরক্ষণ করছে। ফলে নিজে থেকে স্মৃতি তৈরির প্রচেষ্টা বন্ধ হয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিন্ডা হেঙ্কেল (মনস্তত্ত্ববিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ শতাংশ, ২০ শতাংশ, ৫ ঘণ্টা, ৭ ঘণ্টা, ৯ ঘণ্টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖