📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গভীর সমুদ্রের লাল রহস্য: কেন কোরাল মাছের শরীর জ্বলে ওঠে?

গভীর সমুদ্রের লাল রহস্য: কেন কোরাল মাছের শরীর জ্বলে ওঠে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বঙ্গোপসাগরের গভীরে বসবাসকারী লাল কোরাল মাছের টকটকে লাল রং আসলে তার খাদ্যাভ্যাস ও আলোর বৈশিষ্ট্যের ফল। সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে এই রং তাকে শিকারির হাত থেকে রক্ষা করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অ্যাস্টাক্সানথিন নামক যৌগই এর কারণ

বঙ্গোপসাগরের তলদেশের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা এক ধরনের মাছের শরীর জ্বলজ্বল করে লাল আলোয়। সেই লাল রং কোথা থেকে আসে? বিজ্ঞান বলছে, এর পেছনে রয়েছে তার খাদ্যাভ্যাস এবং সমুদ্রের গভীরে আলোর বৈশিষ্ট্য। লাল কোরাল নামের এই মাছটি সাধারণত তিরিশ থেকে দুই শত ফুট গভীরে পাথুরে চাতাল ও ডুবো টিলার ফাঁকে ঘুরে বেড়ায়। জেলেরা লম্বা লাইনে বড়শি ফেলে বা জাল দিয়ে এদের ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লাল কোরাল মাছ সমুদ্রের মহীসোপানে অর্থাৎ তিরিশ থেকে দুই শত ফুট গভীরে বসবাস করে
  • 📌 এর পুরো শরীর গোলাপি-লাল রঙে আবৃত; পিঠের দিকে গাঢ় ও পেটের দিকে ফিকে হয়ে সাদাটে রূপ নেয়
  • 📌 মাছটির চোখও লাল, প্রায় জ্বলজ্বলে
  • 📌 লাল রঙের উৎস হলো অ্যাস্টাক্সানথিন নামক যৌগ, যা চিংড়ি ও খোলসযুক্ত প্রাণীর শরীরে থাকে
  • 📌 সূর্যের লাল আলো মাত্র ১০-১২ মিটার পানির নিচেই শোষিত হয়ে যায়
  • 📌 গভীর জলে লাল রং থাকাটাই মাছটির জন্য নিরাপত্তার ছদ্মবেশ হিসেবে কাজ করে

📰 বিস্তারিত

বাজারে যে লাল কোরাল মাছ দেখা যায়, তার গায়ের রং আসলে তার নিজের নয়। এটি আসে তার খাদ্য থেকে। লাল কোরাল মূলত চিংড়ি ও অন্যান্য খোলসযুক্ত প্রাণী খেয়ে থাকে। এসব প্রাণীর শরীরে থাকা অ্যাস্টাক্সানথিন নামক যৌগ মাছটির শরীরে জমা হয়। ফলে তার পুরো শরীর জুড়ে লাল রং ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি চোখের মণিতেও এই লাল রং দেখা যায়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে গভীরতায় লাল কোরাল থাকে, সেখানে সূর্যের আলো প্রায় পৌঁছায়ই না। বিজ্ঞানের ভাষায়, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে দীর্ঘ হওয়ায় তা মাত্র ১০-১২ মিটার পানির নিচেই শোষিত হয়ে যায়। তাহলে অন্ধকার তলদেশে লাল রং ধারণ করে মাছটির কী লাভ?

এর উত্তর পাওয়া যায় আলোর বৈশিষ্ট্যে। যেহেতু গভীর জলে লাল আলো অনুপস্থিত, তাই লাল রঙের কোনো আলো প্রতিফলিত হয় না। ফলে শিকারির চোখে মাছটি ধূসর বা কালো ছায়া হিসেবে দেখা দেয়। পাথর ও ধ্বংসস্তূপের সঙ্গে মিশে গিয়ে তা হয়ে ওঠে নিরাপদ ছদ্মবেশ। অর্থাৎ, উপরের দিকে টকটকে লাল হলেও নিচে তা হয়ে ওঠে টিকে থাকার অস্ত্র।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, লাল কোরালের লাল রং আসলে দুটি স্তরের ফলাফল। প্রথম স্তরে রয়েছে খাদ্যশৃঙ্খল—চিংড়ি খেয়ে অ্যাস্টাক্সানথিন জমা করা। দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে পদার্থবিজ্ঞান—গভীর জলে আলোর বৈশিষ্ট্য। দুটি স্তর মিলেই তৈরি হয় মাছটির টিকে থাকার কৌশল।

"লাল কোরালের লাল রং আসলে তার জন্য নিরাপত্তার ছদ্মবেশ হিসেবে কাজ করে। কারণ, গভীর জলে লাল আলো অনুপস্থিত থাকায় তার লাল শরীর শিকারির চোখে ধূসর বা কালো ছায়া হিসেবে প্রতীয়মান হয়।"

বাণিজ্যিক খামারে চাষ করা লাল কোরালের রং প্রায়ই ফিকে হয়ে যায়। কারণ, খাঁচায় বন্দী অবস্থায় তারা প্রাকৃতিক চিংড়ি খেতে পারে না। ফলে তাদের শরীরে অ্যাস্টাক্সানথিন জমা হয় না। এ সমস্যা সমাধানে অনেক হ্যাচারি মাছের খাবারে সরাসরি অ্যাস্টাক্সানথিন মিশিয়ে দেয়। চীনের উপকূলে হওয়া এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সম্পূরক খাবার শুধু রং ফেরায় না; বরং মাছের বৃদ্ধির হারও বাড়ায়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাল কোরাল মাছ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১২ মিটার (লাল আলো শোষণের গভীরতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖